আওয়ামী লীগ সংবিধান কমিটি কর্তৃক ৬ দফার ভিত্তিতে প্রণীত পাকিস্তানের খসড়া শাসনতন্ত্র (অংশ)

Posted on Posted in 2

<2.222.793>

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্রের খসড়া সংবিধান

প্রস্তাবনা

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে আমরা, স্বায়ত্তশাসিত বাংলাদেশ, পাঞ্জাব, সিন্ধু, পাখতুনিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশসমূহের জনগণ,

ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধিকার অর্জন করে,

আমাদের নিজেদের এবং উত্তরসূরিদের জন্য স্বাধীনতা ও সম্মানের সাথে বাস করার অধিকার এবং একটি বাস্তব ও জীবন্ত গণতন্ত্র যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা ও সুবিচার প্রাধান্য পাবে, তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে,

স্বাধীনতা লাভের পর থেকে একের পর এক জনগণের ক্ষমতা আত্মসাৎকারী বিরুদ্ধে লড়াই করে,

মানুষের ওপর মানুষ এবং এক অঞ্চলের উপর আরেক অঞ্চলের শোষণ অবসানের লক্ষ্যে আত্মাহুতি দেওয়া শহীদদের অবদানের ফলে জয়লাভ করে,

তারা যে উচ্চ আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তাদের জীবন দান করেন সেইসব আদর্শকেই সংবিধানের মূলনীতি স্থির করে,

এছাড়াও এ সংবিধানে পাকিস্তানের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পারস্য ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নিজ নিজ ধর্ম স্বীকার ও পালনের অধিকার এবং পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে তাদের প্রাপ্য সকল অধিকার, সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের মুসলিমদের ব্যাক্তিগত ও সামষ্টিকভাবে তাদের জীবনকে পবিত্র কোরান ও সুন্নাহতে নির্দেশিত ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী জীবন গঠন করতে নিশ্চয়তা থাকবে স্থির করে,

সংবিধান কার্যকরভাবে সশস্ত্র বাহিনী এবং সকল সামরিক কর্তৃপক্ষের উপর বেসামরিক ক্ষমতার আধিপত্য যা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে অনুশীলিত হবে নিশ্চিত করবে-এই স্বীকৃতি দিয়ে,

সংবিধানই জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন এবং তাদের স্বেচ্ছায় নির্ধারিত ভিত্তি, যা অনুসারে আমরা একত্রে একটি যুক্তরাষ্ট্রে বাস করতে এবং জাতি হিসেবে সমৃদ্ধি লাভ করতে ও বিশ্বে আমাদের ন্যায্য অবস্থানগ্রহণ করে আন্তর্জাতিক শান্তি এবং মানবতার উন্নতির প্রতি পূর্ণ অবদান রাখতে পারি এবং একে নিরাপত্তা দেওয়া, সুরক্ষিত রাখা ও প্রতিরক্ষা করা এবং এর প্রাধান্য বজায় রাখা আমাদের অলংঘনীয় দায়িত্ব-এই মর্মে অঙ্গীকার করে,

 

 

<2.222.794>

 

 এই পরিষদে, এই …………… এক হাজার নয়শত একাত্তর এর ……… দিনে, (…………) আমরা গ্রহণ করলাম, বিধিবদ্ধ করলাম এবং আমাদের প্রতি এই সংবিধান দিলাম।

 

যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র এবং তার রাজ্যসীমাঃ

১(১) পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র নামের অধীনে পাকিস্তান একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র হবে এবং বাংলাদেশ, পাঞ্জাব, সিন্ধু, পাখতুনিস্তান ও বালুচিস্তান- স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হবে এবং এরকম অন্যান্য প্রদেশ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, অভিগমন বা অন্য কোন উপায়ে।

(২) পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক প্রদেশের রাজ্যসীমা প্রথম তফসিলে সুনির্দিষ্ট করা আছে।

 

প্রদেশের রাজ্যসীমার পরিবর্তনঃ
(২) প্রদেশের ক্ষমতার পরিবর্তন করে অথবা তার রাজ্যসীমার বৃদ্ধি বা হ্রাস বিষয়ক কোন বিল যুক্তরাষ্ট্রীয় সংসদে উত্থাপিত হবে না, যদি না ইতোপূর্বেই তা পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সাংসদের ভোটে জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে থাকে।

*******

তৃতীয় অংশ- রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণী নির্দেশনা

১. ইসলাম

(১) পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ তে নির্দেশিত ইসলামের নির্দেশনার সাথে বেমানান কোন আইন থাকবে না।

(২) পাকিস্তানের মুসলিমদের পবিত্র কুরআন এবং ইসলামিয়াত শিক্ষার জন্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে।
(৩) পাকিস্তানের মুসলিমদের মধ্যে ইসলামী নীতি নৈতিকতার প্রচার ও প্রসার ঘটাতে হবে।
 

<2.222.795>

 

 (২) অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকারঃ
অন্যান্য সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা নাগরিকত্বের পূর্ণ অধিকার উপভোগ করবেন এবং তাদের মৌলিক অধিকারসমূহের সাংবিধানিক নিরাপত্তা ছাড়াও তাদের আইনসঙ্গত অধিকার এবং স্বার্থ সকল ক্ষেত্রে সংরক্ষিত হবে।
(৩) শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাঃ

একটি ন্যায় ও সমমাত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে, মানুষের উপর মানুষ এবং অঞ্চলভিত্তিক শোষণ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষে, একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

 (৪) মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কর্মসংস্থান, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা।

পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মৌলিক দায়িত্বগুলো হবেঃ
(ক) রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করা, যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা।
(খ) কর্মের অধিকার, কাজের ধরণ ও পরিমাণ অনুসারে ন্যায্য মজুরিতে কর্মের প্রতিশ্রুতির অধিকার।
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, আমোদ-প্রমোদ ও অবসরের অধিকার।
(ঘ) মানুষের জীবনযাত্রা, উপাদান ও সংস্কৃতির অবিচলিত ও অব্যাহত উন্নতি।
(ঙ) অন্যান্য সবকিছুর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা; শিল্প, অফিস ও পেশাদারী কর্মচারীদের আবশ্যিক সামাজিক বীমার ব্যাপক উন্নয়ন সাধন।
(চ) বৃদ্ধ বয়সে প্রতিপালনের অধিকার।

 

(৫) শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার
শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণ ও প্রসার করা রাষ্ট্রের একটি মৌলিক দায়িত্ব হবে।

(৬) গ্রামীণ জনসাধারণের শোষণ থেকে বন্ধনমুক্তি এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নঃ
গ্রামীণ জনসাধারণ অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে জাগিরদারি, জমিদারি এবং সরদারি ব্যবস্থার শোষণ থেকে মুক্তিলাভ করবে এবং জমির প্রকৃত কৃষকের স্বার্থে ভূমি ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস করা হবে।

 

<2.222.796 -802>

 

১৮) কেন্দ্রীয় ব্যয়ের অর্থনৈতিক সুবিধাভোগী

কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যয়কৃত অর্থের অর্থনৈতিক সুফল ফেডারেশনের সকল স্টেটসমুহের মধ্যে সমভাবে বন্টন নিশ্চিত করার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হবে।

১৯) কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিনিধিত্ব

ফেডারেল সরকারের সকল স্তরে স্টেটসমুহের জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিটি স্টেটের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০) প্রতিরক্ষা বাহিনী সমুহতে প্রতিনিধিত্ব

 প্রতিরক্ষা সেবার সকল শাখায় স্টেটসমুহের জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিটি স্টেটের প্রতিনিধির অন্তর্ভূক্তি যত দ্রুত সম্ভব নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে এবং প্রয়োজনে এই নীতি বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২১) পাকিস্তানের ভূ-রাজনৈতিক বিশেষ অবস্থার জন্য এর দুটি অঞ্চলের প্রতিটিকে নিজ নিজ প্রতিরক্ষার্থে জনবল, রসদ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি সরবরাহের দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা হবে।

২২) ভাষা সংস্কৃতির বিকাশ

সম্ভব হলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইংরেজির পরিবর্তে বাংলা, ঊর্দু এবং স্টেটসমুহে ব্যবহৃত অন্যান্য ভাষা সমূহের প্রচলন নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়া হবে।   

২৩) পুরাকীর্তি সুমহের রক্ষণাবেক্ষণ

শৈল্পিক এবং ঐতিহাসিক মূল্যসমৃদ্ধ প্রতিটি স্থাপনা বা স্থান বা সামগ্রী, আইন দ্বারা ঘোষিত ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হলে নষ্ট করা, আকৃতি পরিবর্তন করা, ধ্বংস করা, অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অপসারন,স্থানচ্যুত বা রপ্তানী হতে রক্ষা করতে রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা থাকবে।

২৪) আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা বিধান

রাষ্ট্রের প্রচেষ্টা থাকবে –

ক) আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা উন্নয়ন করা

খ) জাতিসমুহের সঙ্গে যথোপযুক্ত এবং সম্মানের সম্পর্ক বজায় রাখা

গ) সংগঠিত জনসমষ্টি সমুহের একে অপরের সাথে মধ্যস্থতায় আন্তর্জাতিক আইন এবং চুক্তিমত বাধ্যবাধকতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং

ঘ) আন্তর্জাতিক বিরোধের ক্ষেত্রে শান্তিপুর্ণ নিষ্পত্তিতে উৎসাহ যোগানো।

২৫) সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ এবং বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা

সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ এবং বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের সংগ্রামে পাকিস্তানের সমর্থন থাকবে।

 

অংশ ৬ – ফেডারেল রাজধানীর সীমানা

৯৬। (১) ফেডারেল রিপাবলিকের দুটি রাজধানী থাকবে যেগুলো অবস্থিত হবে যথাক্রমে বাংলাদেশ স্টেটের ঢাকা এবং পাঞ্জাব স্টেটের ইসলামাবাদে।

(২) ঢাকার যুক্তরাষ্ট্রীয় রাজধানী (এই সংবিধানে যেটিকে বলা হয়েছে “দ্য ঢাকা ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরি”) এবং ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রীয় রাজধানী (এই সংবিধানে যেটিকে বলা হয়েছে “দ্য ইসলামাবাদ ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরি”) এই দুটি রাজধানীর আয়তন ফেডারেল পার্লামেন্ট কর্তৃক নির্ধারিত হবে।

(৩) ফেডারেল পার্লামেন্টের মূল অবস্থান অবস্থিত হবে দ্য ঢাকা ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরিতে এবং ফেডারেল কোর্টের মূল অবস্থান অবস্থিত হবে দ্য ইসলামাবাদ ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরিতে।

উল্লেখ থাকে যে, যদিও, ইসলামাবাদে ফেডারেল পার্লামেন্ট বসার অন্য একটি অবস্থান থাকবে এবং ঢাকায় অন্তত তিনজন বিচারকের একটি স্থায়ী ডিভিশন সহ ফেডারেল কোর্টের জন্য দ্বিতীয় অবস্থান থাকবে। ফেডারেল পার্লামেন্ট এবং ফেডারেল কোর্ট বিকল্প অবস্থানে ৪ মাসের কম কাজ করবে না।       

৪) যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের নির্বাহী অঙ্গসমূহের সমান সক্ষমতার স্থাপনা দ্য ঢাকা ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরিতে এবং দ্য ইসলামাবাদ ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরিতে সমান্তরালে থাকবে।

৫) শীতকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার তার দ্য ঢাকা ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরিতে অবস্থিত হেডকোয়ার্টারসমূহতে কাজ করবে এবং গ্রীষ্মকালে দ্য ইসলামাবাদ ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরিতে অবস্থিত হেডকোয়ার্টারসমূহতে কাজ করবে।    

৬) আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রীয় সংসদ সরকার এবং প্রশাসনের জন্য ফেডারেল রাজধানীর সীমানা বিধান করবে। 

অংশ ৭ – ফেডারেশন এবং ষ্টেটসমূহের মধ্যে সম্পর্ক

চাপ্টার ১ – আইনগত ক্ষমতা

ফেডারেল এবং ষ্টেটসমূহের আইন তৈরির ক্ষমতা

৯৭। (১) পঞ্চম তফশীলে বর্ণিত বিষয়ে সংবিধানের সংস্থান অনুযায়ী ফেডারেল পার্লামেন্টের বিশেষ ক্ষমতাবলে সমগ্র বা পাকিস্তানের অংশ বিশেষের জন্য আইন প্রনয়ন করতে পারবে এবং প্রতিটি ষ্টেট অধিবেশনেরও গোটা বা ষ্টেটের অংশবিশেষের জন্য পঞ্চম তফশীলের বর্ণিত ক্ষেত্রের বাইরে বিশেষত ষষ্ঠ তফসীলের নির্ধারিত বিষয়ে আইন করার বিশেষ ক্ষমতা থাকবে।

(২) কোনো চুক্তি, পাকিস্তান এবং অন্য কোন দেশের সমঝোতা বা ঐক্যমত অথবা পাকিস্তানের সদস্যপদ সম্বলিত কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সিদ্ধান্ত বা আয়োজন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পঞ্চম তফশীলে বর্ণিত ক্ষেত্রের বাইরে ফেডারেল পার্লামেন্ট সমগ্র বা পাকিস্তানের অংশ বিশেষের জন্য আইন প্রনয়ন করতে পারবে।

উল্লেখ থাকে যে, এই ধারা হতে উদ্ভূত কোনো আইন ষ্টেটের ক্ষেত্রে কাজ করবে না যদি না ষ্টেট গভর্ন্মেন্ট আদেশ জারি করে ষ্টেটের অভ্যন্তরে এমন আইনের কার্যকারীতা সমর্থন করেন। 

(৩) সীমানাগত আওতার বাইরে, শুধুমাত্র এমন ভিত্তিতে ফেডারেল পার্লামেন্ট এবং ষ্টেট অধিবেশনে প্রণীত কোনো আইন বাতিল বা অকার্যকর হবে না।

(৪) সংবিধানের সংস্থান অনুযায়ী ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরির জন্য প্রণীত ফেডারেল আইন এবং ষ্টেট আইনের মধ্যে অসামঞ্জস্যের ক্ষেত্রে দ্য ঢাকা ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরি এবং দ্য ইসলামাবাদ ফেডারেল ক্যাপিটাল টেরিটরির জন্য আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে ফেডারেল পার্লামেন্টের (বিশেষ ক্ষমতা নয়), এবং ফেডারেল আইনই কার্যকর হবে।

৫)    যদি দুই বা ততোধিক ষ্টেটের অধিবেশন প্রস্তাব করে যে সংশ্লিষ্ট ষ্টেটসমূহের কোনো চুক্তি বা স্কীমের জন্য ফেডারেল সংসদের কোনো আইন প্রণয়ন করা উচিত এবং সংশ্লিষ্ট স্টেটসমূহ তার কার্যকারীতা পাশ করে তবে ফেডারেল পার্লামেন্টের এমন আইন পাশ করা বৈধ হবে এমনকি তা পঞ্চম তফশীলে বর্ণিত বিষয় বহির্ভূত হলেও।

৬) সংশয় দূর করার জন্য, ঘোষণা করা হল যে ফেডারেল পার্লামেন্ট শুধুমাত্র সেসব আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রাপ্ত হবে যা এই সংবিধানে স্পষ্ট করে উল্লেখ আছে, প্রণীত আইনসহ অন্যান্য সকল আইনগত ক্ষমতা ষ্টেট অধিবেশনের ওপর অর্পিত হবে।

৯৮। প্রণীত কোনো আইন যদি প্রণেতা কর্তৃপক্ষের আওতা বহির্ভূত বিষয়ে হয় তাহলে সে আইন বাতিল বলে গন্য হবে।

চাপ্টার ১১ – ফেডারেশন এবং ষ্টেট সমূহের মাঝে প্রশাসনিক সম্পর্ক

ফেডারেশনের নির্বাহী ক্ষমতা বা সীমা

৯৯। ফেডারেল সংসদের যেসব বিষয়ে আইন প্রণয়নের বিশেষ ক্ষমতা দেয়া আছে ফেডারেশনের নির্বাহী ক্ষমতা সেসব বিষয় সমূহ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

ষ্টেটসমূহের নির্বাহী ক্ষমতা বা সীমা

১০০। ষ্টেট অধিবেশনের যেসব বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা আছে ষ্টেটের নির্বাহী ক্ষমতা সেসব বিষয় সমূহ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

আন্তর্জাতিক এবং আন্ত-অঞ্চল যোগাযোগের জন্য ফেডারেল রেগুলেটরী বোর্ড

১০১। (১)  আন্তর্জাতিক এবং আন্ত-অঞ্চল যোগাযোগের জন্য একটি ফেডারেল রেগুলেটরী বোর্ড থাকবে যার দায়িত্ব হবে এই আর্টিকেল এর ধারা ৪ এর ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক এবং আন্ত-অঞ্চল যোগাযোগের কাজে নিয়োজিত সকল সরকারী এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন এজেন্সী সমূহের নিয়ন্ত্রণ, বিশেষত সপ্তম তফশীলে বর্নিত অনুসারে সকল ষ্টেটের একই ধরনের সেবা এবং সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যে।

(২) ধারা ১ এ বর্ণিত বোর্ডটির গঠন, ক্ষমতা, দায়িত্ব, প্রশাসন এবং ব্যবস্থাপনা সমস্ত………… পার্লামেন্টের আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

(৩)  আন্তর্জাতিক এবং আন্ত-অঞ্চল যোগাযোগের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত সকল এজেন্সী কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে ফেডারেল সরকার মালিকানা অধিগ্রহণ করবে এবং তাদের দায়দেনা সংশ্লিষ্ট দুটি অঞ্চলের ষ্টেটের মধ্যে আনুপাতিকভাবে ভাগ করা হবে অথবা যদি একপক্ষে বাংলাদেশ এবং অন্যপক্ষে পশ্চিম অংশের পাঞ্জাব, সিন্ধু, পখতুনিস্থান এবং বেলুচিস্তান এরা যদি জোর আকাঙ্ক্ষা করে তবে পুর্বে উল্লেখিত বিষয়ের প্রেক্ষিতে দুই বা ততোধিক ষ্টেট সমঝোতার ভিত্তিতে যৌথ ভাবে মালিকানা, প্রশাসন এবং ব্যবস্থাপনায় থাকতে পারে বা কেন্দ্রীয় সরকারের মালিকানাধীন থাকতে পারে।

(৪) এই আর্টিকেল এ ধারা ১ এ বর্নিত বোর্ডটির নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যাদি নিন্মরূপ নির্দিস্ট থাকবে।

ক) আকাশপথে এবং সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক এবং আন্ত-আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নিয়মিত সেবা বজায় রাখা, সমরূপ ভাড়া ও মাশুল নির্ধারণ, নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রবিধি সমূহ যেখানে পাকিস্তান সম্মত হয়েছে সেগুলো পরিপালন নিশ্চিত করা।

খ) ডাক, টেলিগ্রাফ এবং টেলিফোনে আন্তর্জাতিক এবং আন্ত-আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সেবা নিশ্চিত করা, সমরূপ ভাড়া ও মাশুল নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রবিধি সমূহ যেখানে পাকিস্তান সম্মত হয়েছে সেগুলো পরিপালন নিশ্চিত করা।

(গ) সম্প্রচার এবং টেলিভিশনের মত তারবিহীন যোগাযোগের ক্ষেত্রে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রবিধি সমূহ যেখানে পাকিস্তান সম্মত হয়েছে সেগুলো পরিপালন নিশ্চিত করা।

বিবাদ ভঞ্জন

১০২। আভ্যন্তরীন ষ্টেট সমূহের মধ্যে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মীমাংসা চুক্তি হতে পারবে।

চ্যাপ্টার ৩- আর্থিক সংস্থান

১০৩। (১) ফেডারেল কন্সোলিডেটেড ফান্ড নির্বাহের খরচ এবং ফেডারেল পার্লামেন্টে অনুমোদন সাপেক্ষে অন্যান্য খরচ মেটানোর জন্য প্রত্যেক ষ্টেট গভর্নমেন্ট এই আর্টিকেলের ধারা (২) অনুযায়ী প্রদত্ত অনুপাতে ফেডারেল গভর্নমেন্টকে “ফেডারেল লেভী” পরিশোধ করবে যা হবে আভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমন্বয়ে।

 (২) ধারা (১) এ উল্লেখিত অনুপাতটি হবে নিন্মরূপ

   ক) বাংলাদেশ  …        ২৭%

   খ) পাঞ্জাব                …        ৪৩%

   গ) সিন্ধু                  …        ২১%

   ঘ) পখতুনিস্তান …        ৭.৪%

   ঙ) বেলুচিস্তান  …        ১.৬%

(৩) প্রত্যেক ষ্টেটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকবে ফেডারেল গভর্নমেন্টকে এই ফেডারেল লেভী পরিশোধের যেটি ফেডারেল কন্সোলিডেটেড ফান্ডে ষ্টেট সমূহের প্রথম চাঁদা।

ফেডারেল ফিন্যান্স কমিশন

১০৪। (১) সংবিধানের ভিত্তিতে পার্লামেন্টের প্রণীত আইনে একটি ফেডারেল ফিনান্স কমিশন গঠিত হবে এবং সেই আইনে কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলী সংজ্ঞায়িত থাকবে।

(২) ফেডারেল কমিশনটি কার্যশুরুর পাঁচ বছর পর প্রথমবার এবং এর পর প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর আর্টিকেল ১০৩ এর ধারা (২) এ বর্ণিত ষ্টেট গভর্নমেন্ট কর্তৃক ফেডারেল গভর্নমেন্টকে পরিশোধযোগ্য “ফেডারেল লেভী” এর অনুপাতগুলো পূনর্বীক্ষণ করবে এবং সেই অনুযায়ী ফেডারেল ইকুইটির অংশ, প্রত্যেক ষ্টেটের অর্থ প্রদানের ক্ষমতা, ফেডারেল গভর্নমেন্টের বিভিন্ন স্তরে প্রত্যেক ষ্টেট হতে চাকুরীর পদসংখ্যা এবং ফেডারেল ব্যয়ের বরাদ্দ নির্ধারিত হবে।

ফেডারেল গভর্নমেন্টের ঋণ

১০৫। (১) এই সংবিধানের প্রদত্ত সীমার মধ্যে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংসদে আইন দ্বারা সেই সীমা বর্ধিত করা হলে সেই মোতাবেক ফেডারেল গভর্নমেন্টের নির্বাহী কর্তৃপক্ষ ফেডারেল কন্সোলিডেটেড ফান্ড এর বিপরীতে ঋণ বা গ্যারান্টি প্রদান করতে পারবেন।

(২) রিজার্ভ ব্যাংক অফ দ্য ষ্টেট থেকে এক অর্থবছরের মধ্যে প্রাপ্তব্য অগ্রিম ছাড়া ফেডারেল সরকারের ঋণ গ্রহণ ক্ষমতা গণখাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। 

(৩) এই আর্টিকেল এর অধীনে ফেডারেল গভর্নমেন্টের ঋণ গ্রহণের সময় ইস্যুকৃত সিকিউরিটিসমুহ কমার্সিয়াল ব্যাংকিং সিস্টেমে রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হবে না।

(৪) বৈদেশিক ঋণ গ্রহনে উদ্ভূত ফেডারেল গভর্নমেন্টের দায় নিন্মোক্ত ভাবে বন্টন করা হবে

ক) বৈদেশিক ঋণ হতে কেন্দ্রীয় খরচের যেসব ক্ষেত্রে তা পূর্ব এবং পশ্চিমে বিভাজন যোগ্য নয় তা ফেডারেল কন্সোলিডেটেড ফান্ড হতে চার্জ করা হবে।

খ) বৈদেশিক ঋণ এর যে পরিমাণ বিভিন্ন সময়ে পূর্ব অঞ্চলে ব্যয় করা হয়েছে তা বাংলাদেশ ষ্টেট এর দায় হিসেবে দেখানো হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ষ্টেট এর আয়কৃত বৈদেশিক তহবিল হতে সংশ্লিষ্ট সময়ে পশ্চিম অঞ্চলে স্থানান্তরকৃত তহবিলের পরিমাণ সে দায় হতে বাদ যাবে।

ব্যাখ্যাঃ সংশ্লিষ্ট সময়ে বাংলাদেশ ষ্টেট হতে পশ্চিম পাকিস্তানে স্থানান্তরকৃত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ধরা হয়েছে বাংলাদেশ ষ্টেটের আয়কৃত বৈদেশিক মুদ্রার অংশ দ্বারা পশ্চিম অঞ্চলে ব্যয় হতে সংশ্লিষ্ট সময়ে আন্তঃ আঞ্চলিক বানিজ্যে বাংলাদেশ ষ্টেটের ঘাটতি সমন্বয়ের পর যে পার্থক্য থাকে সেটা।     

গ) উপধারা (খ) তে বর্ণনা মোতাবেক মোট দায়ের অংশ বাংলাদেশ ষ্টেটের গ্রহণের পর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের অবশিষ্ট দায় পশ্চিমের স্টেটগুলো যেমন, পাঞ্জাব, সিন্ধু, পখতুনিস্তান এবং বেলুচিস্তানের নামে লেখা হবে। দায় বন্টনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে নির্দিস্ট অনুপাত হিসেব করা হবে। (সেক্ষেত্রে ভিত্তি নির্ধারণে পাঞ্জাব, সিন্ধু, পখতুনিস্তান এবং বেলুচিস্তানের প্রতিনিধিগণের সাথে পরামর্শ করা হবে)

ষ্টেট কর্তৃক ঋণ প্রদান বা গ্রহণ

১০৭। (১) ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম দ্বারা ষ্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তান প্রতিস্থাপিত হবে, অতএব বাংলাদেশ ষ্টেট এর জন্য একটি রিজার্ভ ব্যাংক এবং পাঞ্জাব, সিন্ধু, পখতুনিস্তান এবং বেলুচিস্তানের জন্য এক বা একাধিক রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপন করা হবে। (পশ্চিম অঞ্চলে একটি নাকি একাধিক রিজার্ভ ব্যাংক হবে তা সংশ্লিষ্ট ষ্টেট সমূহের প্রতিনিধিগণের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্ধারণ করা হবে)।

(২) বাংলাদেশের আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাংক বাংলাদেশের আইন দ্বারা স্থাপিত এবং নিয়ন্ত্রিত হবে এবং অন্যান্য আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাংকসমূহও আইন দ্বারা পরিচালিত হবে ( কোন অঞ্চলের আইন দ্বারা পরিচালিত হবে তা ষ্টেটের প্রতিনিধিগণের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে নিরূপন করা হবে)। এবং নিন্মে উল্লেখিত ধারা (৩) অনুযায়ী ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড কে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বর্তমানে ষ্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তান যেভাবে গোটা পাকিস্তানে কর্মকান্ড পরিচালনা করে তেমনিভাবে নিজ আইনগত সীমানার ভেতর সমস্ত ক্ষমতা, কার্যাবলী এবং দায়িত্ব পালন করবে বিশেষত নিচের ক্ষমতা এবং কার্যাদির চর্চা করবেঃ

ক) ব্যাংকসমূহের এবং ষ্টেট গভর্নমেন্ট এর ব্যাংক হিসেবে কাজ করা।

খ) বৈদেশিক মুদ্রার আয় এবং রিজার্ভের এবং স্বর্ণ মজুদের তত্বাবধানকারী হিসেবে কাজ করা।

গ) মুদ্রানীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন।

ঘ) এক ষ্টেট থেকে অন্য ষ্টেটে মূলধন পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

(৩) ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের নিন্মে বর্নিত মোতাবেক ক্ষমতা থাকবে এবং এছাড়াও রিজার্ভ ব্যাংকসমূহ সর্বসম্মতিক্রমে অন্যান্য আরও ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে।

ক) ফেডারেল সরকারকে বিদেশী মুদ্রার সাথে রূপীর বিনিময় হার সুপারিশ করা।

খ)  কোনো রিজার্ভ ব্যাংকের চাহিদা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট রিজার্ভ ব্যাংকটির সম্পদের বিপরীতে তার আওতাধীন এলাকায় প্রচলনের জন্য বিভিন্ন মানের মুদ্রা ছাপানো।

গ) টাকশাল এবং সিকিউরিটি প্রেস নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা

ঘ) শুরু থেকে যেভাবে ষ্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তান আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সমূহের সাথে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো সেভাবে ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড স্বার্থসংশ্লিষ্ট এবং আইনগত আওতাধীন থাকা সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট রিজার্ভ ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করবে।

(৪) এই সংবিধান মোতাবেক সংসদীয় আইন দ্বারা ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের গঠন, ক্ষমতা, কার্যাদি এবং দায়িত্ব নির্ধারিত হবে এবং সে সময় পর্যন্ত ফেডারেল সরকারের আদেশ সংসদীয় আইন রূপে বলবত হবে।

  আন্তঃ স্টেট বাণিজ্য

১০৮। (১) এই আর্টিকেলের ধারা (২) সাপেক্ষে একটি ষ্টেটের অধিবেশন এমন কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে না যা নিন্মরূপ নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করেঃ

১/ দেশী পণ্য বা সমরূপ অন্য এক ষ্টেট হতে নিজ ষ্টেটে প্রবেশ করা।

২/  দেশী পণ্য বা সমরূপ নিজ ষ্টেট হতে অন্য স্টেটে রপ্তানী করা।

(২) গণস্বাস্থ্য, সাধারণ শৃঙ্খলা বা নৈতিকতা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কিংবা রোগ বালাই হতে জন্তু জানোয়ার বা গাছপালা সুরক্ষার্থে কিংবা নিত্য ব্যবহার্য কোনো পণ্যের প্রচন্ড অভাব ঠেকাতে বা অভাব মেটাতে কিংবা উৎপাদিত কোনো পণ্যের শিল্প বিকাশে প্রণীত আইন দ্বারা বিধি নিষেধ এই আর্টিকেল অনুযায়ী অকার্যকর হবে না।

১০৯। (১) পাঞ্জাব, সিন্ধু, পখতুনিস্তান এবং বেলুচিস্তানের সরকারের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি আঞ্চলিক সমন্বয় বোর্ড গঠিত হবে যার উদ্দেশ্য হবে সাধারণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে যৌথ প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং সহযোগিতা করা। (এই বোর্ডের গঠন পাঞ্জাব, সিন্ধু, পখতুনিস্তান এবং বেলুচিস্তানের প্রতিনিধিদের পরামর্শক্রমে নির্ধারণ করা হবে)

(২) ধারা (১) এ উল্লেখিত মোতাবেক প্রাথমিক সাধারণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ অষ্টম তফশীলে লিপিবদ্ধ করা হল। (অষ্টম তফশীলে কোন কোন বিষয় লিপিবদ্ধ হবে তা সংশ্লিষ্ট ষ্টেট সমূহের পরামর্শ মোতাবেক নির্ধারন করা হবে।) সংসদীয় আইন দ্বারা অষ্টম তফশীলে বিষয় যুক্ত করা যাবে যদি  তার জন্য ষ্টেট অধিবেশনের সমর্থন নিয়ে সংশ্লিষ্ট ষ্টেট গভর্নমেন্টসমূহ ফেডারেল পার্লামেন্টে যৌথভাবে প্রস্তাবনা দেয়।

(৩) ধারা (১) এ বর্ণিত বোর্ডটির ক্ষমতা, কর্তব্য, কার্যাদি, প্রশাসন এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রিত হবে (কোন আইনগত ভিত্তিতে তা সংশ্লিস্ট ষ্টেট সমূহের প্রতিনিধিগণের সাথে পরামর্শ করে নির্ধারণ করা হবে)

মালিকানাবিহীন সম্পত্তি

১১০। যেকোনো সম্পত্তির বৈধ মালিক না থাকলে তা সংশ্লিষ্ট ষ্টেটের নিকট অর্পিত হবে।

 

 

 

 

 

 

 

<2.222.803>

                   (i) যে কোন শ্রেনীজাত বা বর্ণনাকৃত দেশীয় পণ্যের অন্য রাষ্ট্র হতে প্রবেশ;

                   (ii) বর্ণনাকৃত বা শ্রেণী বিভাজিত কোন প্রকার দেশীয় পণ্যের রপ্তানিতে;

                   (iii) কোন রাষ্ট্রীয় আইন যা জনস্বাস্থ্য, জনশৃঙ্খলা বা নৈতিকতা অথবা প্রাণী বা উদ্ভিদের রোগ হতে রক্ষার প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যে অথবা অপরিহার্য প্রয়োজনীয় পণ্যের গুরুতর ঘাটতি প্রতিরোধ বা দূর করতে  ক্রমবর্ধমান রাষ্ট্রীয় শিল্পের উৎপাদনে, এই অনুচ্ছেদ দ্বারা তা অবৈধ বলে বিবেচিত হবে।

          ১০৯।    (১) সেখানে আঞ্চলিক সমন্বয় সাধন পরিষদ থাকবে, সাধারণ উদ্বেগের বিষয়াদি যৌথ প্রশাসন,ব্যবস্থাপনা,সমন্বয় সাধন বা সহযোগিতার উদ্দেশ্যে পাঞ্জাব,সিন্ধু,পাকতুনিস্থান এবং বেলুচিস্তানের সরকার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত. (বোর্ড গঠন পাঞ্জাব,সিন্ধু,বেলুচিস্তান, পাকতুনিস্থান এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে নির্ধারিত হবে).

                   (২) যে বিষয়গুলো সাধারণ উদ্বেগের বিষয় হিসেবে এই অনুচ্ছেদের ধারা (১) এর উদ্দেশ্যে অষ্টম তফসিলে  প্রথমে গণ্য করার জন্য বিবেচিত হবে, (এই বিষয়গুলো প্রদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শের পরেই অষ্টম তফসিলে যুক্ত করার জন্য বিবেচিত হবে); অতিরিক্ত বিষয়গুলো সংসদের আইন দ্বারা অষ্টম তফসিলে যোগ করা যেতে পারে যদি সংশ্লিষ্ট  প্রাদেশিক সরকারগুলো ফেডারেল পার্লামেন্টের প্রতিনিধি হয়ে যৌথ প্রস্তাবনা প্রস্তুত করে যা প্রাদেশিক সরকারের সিদ্ধান্ত দ্বারা সমর্থিত হবে।

                   (৩) পরিষদের ক্ষমতা, কর্তব্য, কর্মকান্ড, প্রশাসন এবং ব্যবস্থাপনাতে (যেমন কোন আইন প্রনয়ণকারী সংগঠন  প্রাদেশিক প্রতিনিধিদের পরামর্শক্রমে নির্ধারিত হবে) নির্দেশিত দফা (১) এ মালিকানাহীন সম্পদ হিসেবে নিয়ন্ত্রিত হবে।

          ১১০। কোন প্রকার মালিকানাহীন সম্পত্তি যার বৈধ কোন মালিকানা নেই তা সেই স্থানের প্রদেশের উপর অর্পিত হবে।

 

 

*               *               *               *               *               *

 

 

 

<2.222.804>

 

ষষ্ঠ তফসিল

[ধারা ৯৭(৪)]

যেসব ক্ষেত্রে একটি রাজ্যের বিধানসভার আইন প্রণয়ণ করতে একচেটিয়া ক্ষমতা আছেঃ

সকল ক্ষমতা, সংরক্ষণ এবং যেগুলো পঞ্চম তফসিলে ঘোষিত সেগুলো ছাড়া এবং বিশেষভাবে সংযুক্ত হয়েছে সেগুলো নিম্নবর্ণিতঃ-

১. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক সম্পদের।

২. বৈদেশিক বাণিজ্য।

৩. বিশেষায়িত করব্যবস্থাঃ –

 – কাস্টমস শুল্ক (রপ্তানি শুল্ক সহ)

– এক্সারসাইজ শুল্ক

– বিক্রয় ও ক্রয়ের উপর কর

– কৃষিখাতে আয় সহ আয়ের উপর কর

– কর্পোরেশন কর

– এস্টেট এবং উত্তরাধিকার কর

– সম্পদের মূলধনের উপর কর

– স্থল, সমুদ্র এবং বিমানে পরিবহনকৃত পণ্য ও যাত্রীর উপর টার্মিনাল কর

– তাদের ভাড়া এবং ফ্রেইটের উপর কর

– খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস উপর কর

– খরচের উপর কর

– স্ট্যাম্প শুল্ক

– জমি এবং ভবন এর উপর কর

অন্যান্য সকল কর।

৪. রাষ্ট্রের রিজার্ভ ব্যাংক, এর সমষ্টিকরন এবং এর কার্যপরিচালনা

৫. সকল ক্ষেত্রের ব্যবসা-বাণিজ্য (বৈদেশিক বাণিজ্য সহ)

 

<2.222.805>

 

 

১২. রাষ্ট্রের সরকারি ঋণ সহঃ-

(ক) ঋণকৃত টাকা-রাষ্ট্রের সংহতি তহবিলের নিরাপত্তায়।

(খ) বিদেশী ঋণ।

১৩. রেলওয়ে।

১৪. সামুদ্রিক জাহজ এবং নেভিগেশন।

১৫. বন্দরসমূহ।

১৬. বিদ্যুৎ।

১৭. প্রাকৃতিক গ্যাস।

১৮. বন্দর কোয়ারেন্টিন এবং বন্দর কোয়ারেন্টিন সংযুক্ত হাসপাতাল।

১৯. মাছ ধরা এবং মাছ চাষ, রাষ্ট্রীয় জলভাগ অতিক্রম করে মাছ ধরা সহ।

২০. আর্টিকেল ১০১ এর বিধান সাপেক্ষে, বিমান এবং বিমান চালনা; বিমানঘাঁটির বিধান; এয়ার ট্রাফিক এবং বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ এবং সুবিন্যস্তকরণ।

২১. ডাক এবং ডাকঘর (আর্টিকেল ১০১ এর বিধান সাপেক্ষে)।

২২. ওয়্যারলেস সম্প্রচার এবং টেলিভিশন (আর্টিকেল ১০১ এর বিধান সাপেক্ষে)।

২৩. পারমাণবিক শক্তি সহ

(ক) পরমাণু শক্তি উত্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ।

(খ) পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদন এবং পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার এবং উৎপাদন।

(গ) আয়োনাইজিং রেডিয়েশন

২৪. আবহাওয়াবিজ্ঞান ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ।

২৫. লাইটহাউস, লাইটশিপ সহ, জাহাজ চলাচল এবং বিমানের নিরাপত্তার জন্যে বীকনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা।

২৬. রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে স্থল, বন্দর বা আকাশযোগে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, যেটা হচ্ছে আন্তঃনগর পরিবহন এবং যোগাযোগ।

২৭. রাষ্ট্রীয় সীমান্তে আমদানি ও রপ্তানিতে শুল্ক।

২৮. কপিরাইট, উদ্ভাবন, ডিজাইন, ট্রেডমার্ক এবং চিহ্নিত পণ্যদ্রব্য।

২৯. পেট্রোলিয়াম ও অন্যান্য তরল এবং পদার্থ।

৩০. খনি ও তেল ক্ষেত্র এবং খনিজ সম্পদ উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ

৩১. খনি ও তেল ক্ষেত্রের মধ্যে শ্রম ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ।

৩২. ফৌজদারী কার্যবিধি সহ ফৌজদারি আইন; মামলাযোগ্য অন্যায়।

৩৩. সীমাবদ্ধ আইন সহ দেওয়ানী কার্যবিধি।

৩৪. প্রমাণ এবং শপথের।

 

 

<2.222.806>

৩৫. কৃষি জমি সহ সম্পত্তি হস্তান্তরে।

৩৬. ট্রাস্ট এবং ট্রাস্টি।

৩৭. অংশীদারিত্ব, সংস্থা, গাড়ি চুক্তি সহ এবং অন্যান্য বিশেষ চুক্তি; কৃষি জমি সংক্রান্ত চুক্তি সহ।

৩৮. সালিস নিষ্পত্তি, দেউলিয়া এবং দেউলিয়াত্ব; প্রশাসক জেনারেল এবং অফিসিয়াল

অছি।

৩৯. আইনগত, চিকিৎসা এবং অন্যান্য পেশায়।

৪০. সংবাদপত্র, বই এবং ছাপাখানায়।

৪১. যান্ত্রিকভাবে চালিত যানবাহন।

৪২. ফ্যাক্টরিসমূহ।

৪৩. শ্রম কল্যাণ; শ্রম শর্তাবলী; প্রভিডেন্ট ফান্ড; নিয়োগকর্তার দায়বদ্ধতা এবং শ্রমিক ক্ষতিপূরণ; স্বাস্থ্য বীমা; পঙ্গু পেনশন সহ বয়স্ক পেনশন।

৪৪. ট্রেড ইউনিয়ন; শিল্প ও শ্রম বিরোধ।

৪৫. যান্ত্রিকভাবে চালিত জাহাজের অন্তর্দেশীয় জলপথে শিপিং এবং নেভিগেশনে; এবং এই ধরনের জলপথে রাস্তার নিয়ম; অন্তর্দেশীয় জলপথ দিয়ে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহন।

৪৬. প্রদর্শনীর জন্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ছায়াছবি অনুমোদন।

৪৭. আধাসামরিক বাহিনী এবং রাষ্ট্রীয় মিলিশিয়া বাহিনী ব্যবহার সহ জনশৃঙ্খলা।

৪৮. বিচার প্রশাসন; ফেডারেল আদালত ছাড়া সংবিধান ও বাকি সব আদালতের প্রশাসন; ভাড়া এবং রাজস্ব আদালতের নিয়ম, ফেডারেল কোর্ট ব্যতীত সব আদালতে গৃহীত ফি।

৪৯. আর্মড পুলিশ, রেলওয়ে ও গ্রাম পুলিশ সহ পুলিশ।

৫০. আধা সামরিক বাহিনী এবং রাষ্ট্রীয় মিলিশিয়া বাহিনী (তাদের প্রতিপালন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ সহ অন্যান্য সকল দিক)।

৫১. আনসার।

৫২. কারাগার, সংশোধনী প্রতিষ্ঠান, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংশোধনী প্রতিষ্ঠান এবং এদের মত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, এবং তথায় আটককৃত ব্যক্তি; জেলখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ব্যবহারের জন্যে অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ।

৫৩. বন্দীদের এক রাষ্ট্র থেকে অন্য রাষ্ট্রে স্থানান্তর; ভবঘুরে, অপরাধী এবং যাযাবর উপজাতিদের।

৫৪. ভূমি, যে বা জমির উপর অধিকার; বলতে হয়; বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটের ম্পর্ক সহ জমি মধ্যস্বত্ব, এবং কৃষি জমির উপর রাজস্ব সংগ্রহ, স্থানান্তর, বিচ্ছিন্নতা এবং ক্ষমতা হস্তান্তর এবং উন্নয়ন এবং উপনিবেশ স্থাপন ও কৃষি ঋণ।

৫৫. কোর্ট অব ওয়ার্ডস (প্রতিপাল্যাধিকরণ)।

 

<2.222.807>

 

 

৫৬. রাষ্ট্রীয় অধিকারে বা দখলে পূর্ত, ভূমি ও বাড়ীর উপর।

৫৭. বাধ্যতামূলক অধিগ্রহণ ও সম্পত্তির রিকুইজিশন।

৫৮. কৃষি শিক্ষা ও গবেষণা সহ কৃষি, ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ থেকে সুরক্ষা ও উদ্ভিদ রোগ প্রতিরোধ।

৫৯. স্থানীয় সরকার, অর্থাৎ, সংবিধান ও পৌর কর্পোরেশনের ক্ষমতা, উন্নয়ন ট্রাস্ট, জেলা বোর্ড, খনি স্থাপনের জন্যে কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বা গ্রামের অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের উদ্দেশ্যে অন্যান্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রশাসন।

৬০. স্টক-এর উন্নতি, সংরক্ষণ, সুরক্ষা এবং পশু রোগ প্রতিরোধ; ভেটেরিনারী প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন.

৬১. খোয়াড় এবং গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ প্রতিরোধ।

৬২. পানি, পানি সরবরাহ, সেচ ও খাল, ড্রেনেজ এবং বাঁধ সহ, পানি স্টোরেজ এবং জল বিদ্যুৎ; বন্যা নিয়ন্ত্রণ।

৬৩. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় সহ, কারিগরি শিক্ষা, এবং পেশাদারী প্রশিক্ষণ।

৬৪. লাইব্রেরি ও জাদুঘর, এবং প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ।

৬৫. উদ্ভিদবিদ্যাগত, প্রাণিবিদ্যাগত ও নৃতাত্ত্বিক সার্ভে।

৬৬. সমন্বয় এবং উচ্চতর মান নিরূপণের জন্য প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বা গবেষণা এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠান।

৬৭. জনস্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন; হাসপাতাল ও ডাক্তার খানায়।

৬৮. জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন।

৬৯. শরীরচর্চা কেন্দ্র এবং অন্যান্য বিনোদনমূলক প্রতিষ্ঠান।

৭০. সমাধি এবং সমাধি ভিত্তিতে: দাহ এবং শ্মশানে।

৭১. প্রতিবন্ধী ও বেকার বিমোচন।

৭২. শিল্প।

৭৩. উৎপাদন, উৎপাদন, সরবরাহ ও পণ্যের বিতরণ।

৭৪. বাজার ও মেলা।

৭৫. ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ।

৭৬. উৎপাদন, সরবরাহ এবং লবণ বিতরণ।

৭৭. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।

৭৮. বন।

৭৯. বন্য প্রাণী ও পাখির সুরক্ষা।

৮০. পশুদের উপর নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ।

৮১. খাদ্যসামগ্রী এবং অন্যান্য পণ্যের ভেজাল।

৮২. বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণায়।

৮৩. সামাজিক গবেষণায়।

 

 

 

<2.222.808>

৮৪. সম্পদ।

৮৫. পেশা।

৮৬. বাসস্থান এবং বাসস্থানের প্রহরী।

৮৭. রাষ্ট্রীয় পাবলিক সার্ভিস; রাষ্ট্রীয় সরকারি কর্মকমিশন।

৮৮. সরকারি ভাতা।

৮৯. অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জেনারেল।

৯০. জাকাত।

৯১. দাতব্য এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠান; চ্যারিটেবল ও ধর্মীয় ওয়াক্ফ।

৯২. পর্যটন।

৯৩. রাষ্ট্রীয় বিধানসভার সদস্যদের, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার এর বেতন এবং ভাতা; রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদের এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল এর বেতন ও ভাতা।

৯৪.  রাষ্ট্রীয় বিধানসভা ও সদস্যদের এবং এর কমিটির ক্ষমতা, সুযোগ-সুবিধা এবং ইমিউনিটি; প্রাদেশিক পরিষদের কমিটির সম্মুখে প্রমাণাদি বা নথি প্রদর্শনের জন্যে ব্যক্তির উপস্থিতি বাধ্য করা।

৯৫. ওয়াকফ এবং মসজিদ।

৯৬. এতিমখানা ও দরিদ্র ঘর।

৯৭. এই তালিকা থেকে যে কোন বিষয়ের সঙ্গে আইন বিরুদ্ধ অপরাধ গণ্য হবে।

৯৮. বিচারব্যবস্থা এবং এর সাপেক্ষে সব আদালতের ক্ষমতা, ফেডারেল কোর্ট ব্যতীত এই তালিকা থেকে যে কোন বিষয়ে।

৯৯. এই তালিকা থেকে যে কোন বিষয়ে ফি, কিন্তু এই তালিকায় সংগৃহিত ফি ব্যতীত।

১০০. এই তালিকা থেকে যে কোন বিষয়ে তদন্ত এবং পরিসংখ্যানের উদ্দেশ্যে।

সপ্তম তফসিল

(আর্টিকেল ১০১)

যে সমস্ত বিষয়ের সাপেক্ষে ফেডারেল রেগুলেটরি বোর্ড আন্তর্জাতিক এবং আন্তঃ আঞ্চলিক বাণিজ্যে রেগুলেটরি ক্ষমতা আরোপ করবেন।

 

১. আন্তর্জাতিক এবং আন্তঃ-আঞ্চলিক টেলিফোন পোস্ট এবং টেলিগ্রাফ।

২. আন্তর্জাতিক এবং আন্তঃ-আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ।

৩. আন্তর্জাতিক এবং আন্তঃ-আঞ্চলিক বেতার, সম্প্রচার ও টেলিভিশন।

৪. আন্তঃ-আঞ্চলিক শিপিং।