মুক্তাঙ্গনে সরকারী কর্মচারীদের কাজে লাগানো সম্পর্কিত নির্দেশ

Posted on Posted in 3
শিরোনামসুত্রতারিখ
মুক্তাঙ্গনে সরকারী কর্মচারিদের কাজে লাগানো সম্পর্কিত নির্দেশবাংলাদেশ সরকার, অর্থ মন্ত্রণালয়৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থমন্ত্রণালয় . .

স্মারক নং..                                                                                                                                …………..সেপ্টেম্বর ৯, ১৯৭১ . .

প্রেরক:-    এম. কে. চৌধুরী

উপ-সম্পাদক

প্রাপক:-    জনাব আবুল কাশেম খান

আঞ্চলিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা

পশ্চিম অঞ্চল।

বিষয়:- তেঁতুলিয়ার বর্তমান চাকুরীরত কর্মচারীগণ এবং উদ্ধারকৃত অঞ্চল সমূহ কাজে লাগানো।

 

মহকুমা কর্মকর্তা (উন্নয়ন) তেঁতুলিয়া এর অধীনে চাকুরীরত কর্মচারীদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত কর্মকর্তা তেঁতুলিয়া অঞ্চলে তার কর্মচারীগণের সাথে কাজ করে আসছেন। তিনি দাবী করেছেন যে আলোচ্য এলাকাটি একটি মুক্তাঞ্চল। আরো জানা যায় যে, তিনি আওতাভুক্ত আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তার পরিকল্পনা বা নির্দেশনা ব্যতীতই কাজ করে আসছেন। . গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জি.এ. বিভাগ মুক্তাঞ্চল গুলোর প্রশাসনিক নীতিমালা প্রণয়ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন, যা হবে সকল মুক্তাঞ্চল সমূহের জন্য একটি মান সম্পন্ন প্রশাসনিক নীতিমালা। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ব্যবসা-বানিজ্য, অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক শর্তসাপেক্ষে অনুমোদিত রৌমারীর প্রশাসনিক নীতিমালাটি। জি.এ. বিভাগ কর্তৃক এইসব প্রতিষ্ঠান একত্রীকরণ করা হচ্ছে। যাতে করে সকল মুক্তাঞ্চলের জন্য একটি মানসম্পন্ন প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান প্রবর্তন করা যায়। . অত্ররূপ প্রস্তাবনা এবং অনুমোদন সমূহের চুড়ান্তকরণ অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে বিধায় তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে, যাতে করে তেঁতুলিয়ার মহকুমা কর্মকর্তা (উন্নয়ন), তেঁতুলিয়ার আওতাভুক্ত আঞ্চলিক প্রশাসনিক কর্মকর্তার নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় তাদের দাবীকৃত মুক্তাঞ্চলগুলোতে মহকুমা কর্মকর্তা(উন্নয়ন) তার কার্যাবলী সম্পন্ন করতে পারেন। খাজনা, স্থলশুল্ক ইত্যাদি সংগ্রহের জন্য তিনি তাহার কর্মচারীদেরকেও ব্যবহার করতে পারবেন। এই বিষয়ে আমরা উল্লেখ করতে পারি যে, ভারতে রপ্তানি হিসেবে বাংলাদেশে উৎপাদিত অন্যান্য পণ্যসমূহ এবং পাটের উপর অবশ্যই কর-সমূহ ধার্য করতে হবে। পাট এবং তামাকে মণ প্রতি ২/= রূপী রপ্তানি কর আরোপ করতে হবে। অন্যান্য সকল পণ্যের উপর কর সমূহ আরোপণ তদানীন্তন পূর্ব-পাকিস্তানের অনুসৃত বিধিবিধান অনুযায়ী হবে। অন্যান্য সকল প্রকারের কর সমূহের বেলায়ও একইরূপ মূল্যাদি এবং কর ধার্যকরন নীতিসমূহ অনুসরন করতে হবে। . বিষয়টি অতীব জরুরী বিষয় হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে এবং তদ্বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহন করা হয়েছে মর্মে অত্র দপ্তরকে জানানো যেতে পারে। .

 

(এম.কে.চৌধুরী)