মৎসচাষের প্রয়োজনে লীজ সংক্রান্ত একটি চিঠি

Posted on Posted in 3
শিরোনামসুত্রতারিখ
মৎস্য চাষের প্রয়োজনে ইজারা সংক্রান্ত একটি চিঠিবাংলাদেশ সরকার অর্থ মন্ত্রণালয়১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়

 

নথি নং. এইচ. ডি./৫১(১), ১১সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ .

 

প্রেরক:     এম কে চৌধুরী,

উপ-সচিব.

 

বরাবর:      সচিব,

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়,

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকার . .

 

এতদ্বারা প্রেরিত একটি চুক্তিপত্র দয়া করে গ্রহণ করবেন, যা বাংলাদেশ সরকার এবং জনাব নিজাম উদ্দিন আহমেদ, পিতা: হাজী মোবারক হোসেন এবং জনাব আফসার আলী বিশ্বাস, পিতা: হাজী গুলজার হোসেন, গ্রাম: গোদাগাড়ী, পি এস: গোদাগাড়ী, জেলা: রাজশাহী, বর্তমানে অস্থায়ী বসবাস গ্রাম: লালগোলা, পিএস: লালগোলা, জেলা: মুরশিদাবাদ, প.বঙ্গ। চুক্তিটি একটি নির্ঝঞ্ঝাট সাক্ষ্য। ২। সংশ্লিষ্ট সেক্টর কমান্ডার কে চুক্তিপত্রের বিষয়ে অবগত করার অনুরোধ করা হচ্ছে, যাতে চুক্তিতে উল্লেখিত ইজারাদার চুক্তির উল্লেখিত সময় নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারেন। . ৩। এই সেক্টর কমান্ডার/কমান্ডার্সদের প্রতি পাঠানো প্রস্তুতকৃত চিঠির একটি প্রতিলিপি স্বারক এবং সংরক্ষণের জন্য আমাদের কাছে রাখা যেতে পারে। . সংযুক্তি: (১) একটি চুক্তিপত্র. . (২) চুক্তিতে উল্লেখিত মৎস্য খামারের স্কেচ মানচিত্র .

(এম কে চৌধুরী) .

******************************

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

মুজিবনগর

 

ইহা একটি চুক্তিপত্র যাহা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

এবং

এম নিজামউদ্দিন আহমেদ, পিতা: হাজী মোবারক হোসেন, জনাব আফসার আলী বিশ্বাস, পিতা: হাজী গুলজার হোসেন, গ্রাম: গোদাগাড়ী, পি.এস: গোদাগাড়ী, জেলা: রাজশাহী, বর্তমান সাময়িক নিবাস গ্রাম: লালগোলা, পিএস: লালগোলা, জেলা: মুরশিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ, এই চুক্তির মধ্যে যথাক্রমে প্রথম পক্ষ ও দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

যেহেতু ২য় পক্ষ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার কর্তৃক সত্যায়িত সংযুক্ত মানচিত্রভুক্ত মৎস খামারটি যথাযথভাবে উল্লিখিত নামে যথাযথভাবে ইজারা নিতে সম্মত, এবং যেহেতু ২য় পক্ষ আপসের মাধ্যমে উল্লেখিত একই মৎস্য খামার ইজারা দিতে ইচ্ছুক, দুই পক্ষের মতৈক্যের দ্বারা এই দলিল নিম্নলিখিত শর্তে স্বাক্ষরিত হয়। .

 

(১) ২য় পক্ষ যথাযথভাবে সত্যায়িত সংযোজনী উল্লিখিত এলাকা ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় মৎস্য অধিকার থাকবে না। .

 

(২) ২য় পক্ষ নগদ ১,০০০/০০ (রুপীতে এক হাজার) রুপী শুধুমাত্র ১ম পক্ষকে পরিশোধ করবে এই দলিল স্বাক্ষরের সময়। অবশিষ্ট ১,০০০/০০(রুপীতে এক হাজার) এই দলিল স্বাক্ষরের এক মাসের মধ্যে ১ম পক্ষকে ২য় পক্ষ দ্বারা প্রদান করতে হবে। .

 

(৩) যদি কোন কারণে ১ম পক্ষ ২য় পক্ষকে অবশিষ্ট বকেয়া ১,০০০/০০ (রুপীতে এক হাজার) রুপী এক মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, ১ম পক্ষ অন্য যে কোন পক্ষের সাথে একটা উপযুক্ত চুক্তি করে মৎস্য খামার ইজারা দেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে। .

 

(৪) উভয় পক্ষের দ্বারা স্বাক্ষরিত চুক্তির এই দলিল স্বাক্ষরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বহাল থাকবে।

 

(৫) ২য় পক্ষের মৎস্য খামার ইজারা নেবার কারণে কোনো ক্ষতি বা অন্যকোন কারণ সৃষ্ট ক্ষতির জন্য ১ম পক্ষ দায়ী নয়। . এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় আজ ১০সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সন, মুজিবনগর। . .

 

স্বাঃ/                                                                                                                                                         স্বাঃ/-

কে. এ. জামান অর্থসচিব,                                                                                                           নিজামউদ্দিন আহমেদ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার . .

সাক্ষীগণঃ- ১ম সাক্ষীর স্বাক্ষরঃ এম.কে. চৌধুরী, ডি.এস. (স্বরাষ্ট্র) .                                                 ২য় সাক্ষীর স্বাক্ষরঃ

২. বি. গুপ্ত. গোপনীয় সহকারী, মৎস্য সচিব।