সংখ্যালঘিষ্ঠ দলসমূহ কর্তৃক ভুট্টোর ভূমিকার সমালোচনা

Posted on Posted in 2

<2.199.749>

ভুট্টোর বক্তব্যের সমালোচনায় সঙ্খ্যালঘু সম্প্রদায় ভিত্তিক দলগুলোর নেতারা

১৬ মার্চ,১৯৭১ তারিখের প্রেস রিপোর্ট

 

পিপিআই চেয়ারম্যান ভুট্টোর বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য চেয়ে নবাবজাদা শের আলী খান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে এ সম্পর্কে তিনি এখনো বিস্তারিত পড়েন নি বিধায় সুস্পষ্ট বক্তব্য রাখতে তিনি অপারগ।

 

যাই হোক, জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন এবং দেশপ্রেমিক কোন মুসলিম এরকম একটা প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারে যা পাকিস্তানকে দুটি দেশে বিভক্ত করে ফেলবে তা মানতে তিনি নারাজ। দুই পক্ষের সঙ্খ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পদক্ষেপের মধ্যেও পাকিস্তান ভাঙ্গার প্রামাণিক ইঙ্গিত আছে।

তিনি বলেন প্রস্তাবটি যদি সঠিকভাবে রিপোর্টে আসে তবে এর পরিণতি উপমহাদেশের মুসলমানদের কাছে পলাশী ও সেরিংগুপটাম এর যুদ্ধের বিয়োগান্তক ঘটনার থেকেও বিপর্যয়পূর্ণ হবে। এরকম একটা প্রস্তাব কেবল তাদেরই মনোবাসনা পূর্ণ করতে পারে যারা পাকিস্তানের জন্ম এবং অস্তিত্বকে শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছিল। “১৯৬৫ সালে যারা আমাদের উপর একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল এটা কেবল সে সকল শত্রুদেরই সন্তুষ্ট করতে পারে” তিনি বলেন।

নবাবজাদা শের আলী খান বলেন, “আমি মনেপ্রাণে প্রার্থনা করি যেন তাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়”। তিনি বিশ্বাস করতেন যে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মুসলিমরা কখনোই পাকিস্তান বিভক্ত করার ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না।

মিয়া তুফায়েল

জামায়াত-ই-ইসলামী এর ভারপ্রাপ্ত আমীর মিয়া তুফায়েল আহমদ রবিবার দিন লাহোরে বলেন যে দেশের দুই প্রান্তে দুটি আলাদা সরকার গঠন করা হলে তা লিগাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডারের সাথে সংগতিপূর্ণ হবে না।

পকিস্তান পিপলস’ পার্টির চেয়ারম্যান, মিস্টার জুলফিকার আলী ভুট্টোর প্রস্তাব সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মিয়া তুফায়েল বলেন পুর্ব পাকিস্তানের ক্ষমতা যদি আওয়ামী লীগ এর কাছে হস্তান্তর করা হয় তবে পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষমতাও পিপলস’ পার্টির কাছে হস্তান্তর করতে হবে যদিও এ ধরনের বিভাজন লিগাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডারের সাথে অসংগতিপূর্ণ যা কেবল দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে জারি করা হয়েছিল।

তিনি বলেন এই ইংগিত দেওয়ার মাধ্যমে জুলফিকার আলী ভুট্টো পশ্চিম পাকিস্তানের একচছত্র শাসক হওয়ার অভিলাষ পরিষ্কারভাবে ব্যক্ত করলেন। তার ভাষায় মিস্টার ভুট্টো যে এখন পশ্চিম পাকিস্তানকে একটি একক হিসেবে বিবেচনা করছেন তা খুবই অদ্ভূত। তিনি যোগ করেন, “পূর্ব পাকিস্তানের বিরাজমান পরিস্থিতি মিস্টার ভুট্টোর আচরণেরই পরিণতি।”

হামিদ সরফরাজ

রবিবার দিন লাহোরে পাঞ্জাব আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারী মালিক হামিদ সরফরাজ বলেন যে এটা খুবই দুঃখজনক যে করাচিতে এক গণ সমাবেশে মিস্টার জুলফিকার আলী ভুট্টো তার ভাষণের এক পর্যায়ে দাবি করেছেন যে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষমতা স্ব স্ব সংখ্যাগরিষ্ঠ দল যথাক্রমে আওয়ামী লীগ ও পিপলস’ পার্টির কাছে হস্তান্তর করা হোক।

 

<2.199.750>

 

“পাকিস্তানের সংহতির তৎকালীন একমাত্র নায়ক মিস্টার ভুট্টো এখন ক্ষমতায় যাবার উন্মত্ততায় কার্যত দেশের দুই অংশকে বিচ্ছিন্ন করতে চান এটা শুনে আমি হতবাক হয়ে পড়েছি” তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “আমি আশা করি পাকিস্তানের জনগণ আরো ভালভাবে দেশভাগের এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এবং এর প্রকৃত স্রষ্টা, মিঃ ভুট্টো সম্পর্কে বুঝতে পারবে। “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি তার এই পদক্ষেপ পাকিস্তানের দেশপ্রেমিক জনগণ অবিলম্বে প্রত্যাখ্যান করবে” তিনি যোগ করেন।

আলী আসগর শাহ

সাবেক এমএনএ এবং মুসলিম লীগের (কনভেনশন) সভাপতি সৈয়দ আলী আসগর শাহ রাওয়ালপিণ্ডিতে বলেন, গত রাত্রে জনাব ভুট্টো যে দাবি করেছেন যে, পশ্চিম পাকিস্তানে ক্ষমতা তার দলের হাতে থাকবে এবং পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের হাতে- স্পষ্ট প্রমাণ করে যে পিপিপি প্রধান কেবল ক্ষমতা দখলের প্রতি উৎসাহী। তিনি বলেন, আজকের মূল বিষয় হচ্ছে পাকিস্তানকে রক্ষা করা, বাকি সবই গৌণ। কিন্তু, পারতপক্ষে যা দেখা যাচ্ছে, তিনি বলেন, ‘জনাব ভুট্টো ক্ষমতায় থাকা ছাড়া বাঁচতে পারবেন না’। তার মতে, শেখ মুজিবুর রহমান এবং জনাব ভুট্টোর মধ্যকার ঝামেলা আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসা করে নেয়া উচিৎ।

 

মিঞা নিজামুদ্দিন হায়দার

করাচিতে এমএনএ নির্বাচিত এবং ভাওয়ালপুর যুক্তফ্রন্টের নেতা মিঞা নিজামুদ্দিন হায়দার জনাব জুলফিকার আলী ভুট্টোর রোববারের বিবৃতির কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পিপিপি প্রধান তখন পাকিস্তানের জন্য ‘দ্বি-জাতি তত্ত্বের’ সমর্থনে ছিলেন।

মিঞা হায়দার বলেন, পিপিপি চেয়ারম্যানের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যে চলমান জাতীয় অস্থিরতায় একটা গুরুতর মোড় নিয়েছে।

সোমবারের এক বিবৃতিতে ভাওয়ালপুরের এই নেতা আরো নির্দেশ করেন, গোড়া থেকেই জনাব ভুট্টো ক্ষমতা ভাগাভাগিতে তৎপর ছিলেন। তার পর্যবেক্ষণে, পিপিপি নেতাদের চাহিদা এখন দেশ বিভাগ পর্যন্ত পৌছে গেছে এবং যাই হোক না কেন পাকিস্তানের কোন অংশ থেকেই এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বিবৃতি সহ্য করা হবে না।

তাছাড়াও, তার মতে, ভুট্টোর এই দুই অঞ্চলের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি করার চাহিদা দেশ বিভাজনকেই নির্দেশ করে। ‘পিপিপি প্রধান আসলে চাচ্ছেন দু’টি সংবিধান, দু’টি সরকার এবং দু’টি দেশ’- তিনি আরো মন্তব্য করেন।

 

মাহমুদ মন্টো

রাওয়ালপিণ্ডি মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সভাপতি খাজা মাহমুদ আহমাদ মন্টো জনাব ভুট্টোর ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তাবনার কঠোর সমালোচনা করেছেন।

রাওয়ালপিণ্ডিতে গতকাল এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি বলেন, জনাব ভুট্টো জাতীয় সংহতির বিনিময়ে হলেও ক্ষমতা দখল করতে চান।

 

<2.199.751>

 

জনাব মন্টো নির্দেশ করেন, জাতীয় নির্বাচন পুরো দেশের জন্যই পরিচালিত হয়েছিল এবং আওয়ামী লীগ একক বৃহত্তম দল হিসেবে প্রতীয়মাণ হয়েছে। সুতরাং, সংখ্যাগরিষ্ঠ আওয়ামী লীগকে কেবল পূর্ব পাকিস্তানের বলে ছোট করা যায় না- তিনি আরো যোগ করেন।

তিনি বলেন যে, করাচিতে ভুট্টো সাহেবের রবিবারের প্রস্তাবনার মাধ্যমে আসলে পিপল’স পার্টি পুরো নাঙ্গা হয়ে গেছে। দেশকে দ্বিধা-বিভক্ত করার জন্য পিপিপি’র নীলনকশা জনগণ এখন খুব সহজেই বুঝতে পারছে। তিনি বলেন, জনগন পিপিপি কে ভোট দিয়েছিল, পাকিস্তান বিভাজনের জন্য নয়। ‘দেশপ্রেমিক জনগণ পিপল’স পার্টির দেশের সার্বভৌমত্ব খর্ব করাকে কখনোই সমর্থন দেবে না’- তিনি বলেন।

 

মোহাম্মাদ মাহমুদ

নিখিল পাকিস্তান আওয়ামীলীগের প্রাক্তন মহাসচিব জনাব মোহাম্মাদ মাহমুদ, জনাব জেড এ ভুট্টোর বিবৃতির মন্তব্যে বলেন, এটা পাঞ্জাবের বাসিন্দাদের সিদ্ধান্ত যে তারা একটি পাকিস্তান চায় নাকি দু’টি, যা পিপল’স পার্টির সভাপতির দ্বারা সমর্থিত হয়েছে। পাঞ্জাবের লোকজন তাকে সমর্থন দিয়েছে এবং তাদেরকেই এই সমর্থন তুলে নিতে হবে যদি তারা একটি পাকিস্তান চায়।

একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, জনাব ভুট্টো পুরো খোলাখুলি প্রকাশ হয়ে পড়েছেন, সাথে জনাব আব্দুল কাইয়ুমও। এই দু’জনই জনগনের কাছে ক্ষমতা ভাগাভাগির পথে সবচেয়ে বড় বাধা ছিলেন এবং সংবিধান তৈরীতে সাহায্যের হাত বাড়ানোর পূর্বেই তারা দু’জনই সরকারে তাদের হিস্যা কতটুকু সে ব্যাপারে একটা অঙ্গীকার দাবি করেছিলেন।

মাহমুদুল হক উসমানি

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (অলি গ্রুপ) মহাসচিব জনাব মাহমুদুল হক উসমানি সোমবার সন্ধ্যায় বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা অত্যাবশ্যক ছিল।

দলের কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, প্রশাসন চালানোর জন্য এবং বিভিন্ন জাতীয় সমস্যা সমাধানকল্পে জাতীয় পরিষদের কোন সদস্যকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে অন্তর্ভুক্ত করা সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাদের বিচক্ষণতারই পরিচায়ক।

কাজী ফায়েজ মোহাম্মদ

পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী ফায়েজ মোহাম্মদ সোমবার করাচিতে বলেন, পিপিপি প্রধান জনাব জেড এ ভুট্টো গতকাল করাচিতে যে বক্তব্যটি পেশ করেছেন তা সত্য ও মিথ্যা উভয় ধরনের তথ্য মিশ্রিত বিতর্কে পরিপূর্ণ।

এমএনএ বিজয়ী এবং জামাত-ই-ইসলামী পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা অধ্যাপক গফুর আহমেদ সোমবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বলেন, পাকিস্তান পিপল’স পার্টির প্রধান জনাব জেড এ ভুট্টো দেশকে দুই ভাগে ভাগ করতে চান যাতে তিনি পশ্চিম অংশের ক্ষমতা দখল করতে পারেন।

পূর্ব ভাগ

একই সাথে দু’টি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দেয়া সংক্রান্ত জনাব ভুট্টোর প্রস্তাবনা পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক গোষ্ঠী মনে করে, ভুট্টোর এই প্রস্তাবনা প্রমাণ করে যে তিনি আসলে দু’টি পাকিস্তানে বিশ্বাসী।

 

<2.199.752-753>

 

এই অংশটি মনে করে যে, গণতন্ত্রে সংখাগরিষ্ঠ দলই কেবল সরকার গঠনের অধিকার রাখে।

 

তারা বলেন যে, সংসদে একই সাথে দুইটি দল সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে পারে না এবং সামরিক আইন তুলে দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের এই দাবী সম্পুর্ণ গণতান্ত্রিক আর এটাই বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের সবচেয়ে ভালো উপায়।

সোমবার পাঞ্জাব জোনাল কাউন্সিল মুসলিম লীগের মহাসচিব খাজা মোহাম্মদ সফদর দেশের দুই অংশে বড় দুইটি দলকে ক্ষমতা প্রদানের যে প্রস্তাব  পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান জনাব জুলফিকার আলী ভুট্টো করেছেন, তার তীব্র সমালোচনা করেন।

তিনি জনাব ভুট্টোকে ব্যাপক রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির জন্য এবং দেশকে ভয়াবহ দুর্যোগের প্রান্তে এনে দাঁড় করানোর জন্য দায়ী করেন।

 

রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দঃ

সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক আইনসভার নির্বাচিত সদস্যদের যৌথ মিটিং হতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে অতিসত্ত্বর ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানকে আহ্বান করা হয়।

মিটিং-এ করাচীতে, রোববারের জনসভায় পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মি. জেড. এ. ভুট্টোর দেয়া প্রস্তাবটিকে “ক্ষতিকর” আখ্যা দিয়ে প্রস্তাবনা/রেজুল্যুশন পাশ করা হয়।

পাকিস্তান আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ খলিল আহমেদ তিরমিযী এবং পাকিস্তান সিটি আওয়ামিলীগের প্রেসিডেন্ট শেখ মঞ্জুরুল হক সোমবার জনাব ভুট্টোর পরিকল্পনার ব্যপারে জাতিকে সতর্ক করে দেন। যা কিনা, তাদের মতে, দেশকে দ্বিখন্ডিত করার উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত।

 

 

নাসরুল্লাহ

 

লাহোরে সোমবার পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির পশ্চিম অংশের প্রেসিডেন্ট নবাবজাদা নাসরুল্লাহ  বলেন, মি. ভুট্টোর পূর্ব ও পশ্চিমের দুই সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তাবনা গণতান্রিক আদর্শের সম্পুর্ণ পরিপন্থী।

একটি প্রেস বিবৃতিতে তিনি বলেন, মি. ভুট্টোর সাম্প্রতিক প্রস্তাবে দেশপ্রেমিক গোষ্ঠির বিচলিত হওয়াটাই স্বাভাবিক।

 

শামসুদ দোহা

রাওয়ালপিন্ডি বিভাগীয় আওয়ামিলীগের মহাসচিব, মি. আর. শামসুদ দোহা বলেন, আওয়ামিলীগ দেশের অখণ্ডতা বিনষ্টের সকল চেষ্টা প্রতিহত করবে।

ক্ষমতা পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের দুই সখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে তুলে দেয়া উচিত- করাচীতে পিপিপি চেয়ারম্যান, মি. জেড এ. ভুট্টোর এমন বিবৃতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মি. এ. আর. শামসুদ দোহা বলেন যে পাকিস্তান আওয়ামিলীগ যে কোন মূল্যে দেশের অখণ্ডতা ও সংহতির পক্ষে দাঁড়াবে।

 

ফতেহ মোহাম্মদ

জামায়াত-ই-ইসলামীর রাওয়ালপিন্ডি বিভাগের আমীর মাওলানা ফতেহ মোহাম্মদ বলেন, পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মি. জেড এ ভুট্টো নিজেই একটি অসঙ্গতির সমাবেশ/বান্ডিল। তিনি গতকাল করাচীতে দেয়া মি. ভুট্টোর ভাষণ সম্পর্কে বলছিলেন।