১৯৬২ সনের রাজনৈতিক দলবিধি

Posted on Posted in 2

<2.27.178-182>

 

                              পরবর্তী সংশোধনীসহ রাজনৈতিক দল আইন, ১৯৬২

                                           পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ

                                       রাওয়ালপিন্ডি, ১৫ই জুলাই, ১৯৬২।

জাতীয় পরিষদের নিম্নলিখিত আইনটি ১৫ই জুলাই, ১৯৬২ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি প্রাপ্ত হয় এবং তা সর্বসাধারনের অবগতির জন্য নিম্নরূপে প্রকাশিত হলো।

                                           ১৯৬২ সালের ৩ নং আইন।

রাজনৈতিক দল গঠন ও নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রণীত আইন।

যেহেতু, সংবিধানের ১৭৩ অনুচ্ছেদে এরূপ শর্ত আছে যে, কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের আইন দ্বারা অনুমোদিত না হলে কোন ব্যক্তি নির্বাচনে নিজেকে কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে প্রকাশ করতে পারবেন না;

এবং যেহেতু রাজনৈতিক দল গঠন এবং রাজনৈতিক দলসমূহের সদস্য হিসেবে নির্বাচনে তাদের নিজেদেরকে প্রকাশ করার জন্য অনুমতি প্রদান সমীচীন হয়ে পড়েছে;

এবং যেহেতু এই বিষয়ে সংবিধানের  অনুচ্ছেদ ১৩১-এর দফা(২)-এর অর্থানুযায়ী পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থে একতা অর্জনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিধান জরুরিঃ

সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরুপ আইন প্রণয়ন করা হলঃ

১।সংক্ষিপ্ত শিরোনামা এবং প্রবর্তনকাল – (১) অত্র আইনটি রাজনৈতিক দল আইন, ১৯৬২ নামে অভিহিত হবে।

(২) এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২। সংজ্ঞাসমূহ – বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকলে অত্র আইনে-

(ক) “সংবিধান” অর্থ ১৯৬২ সালের ১লা মার্চ প্রনীত পাকিস্তান প্রজাতন্ত্রের  সংবিধান।

(খ) “বৈদেশিক সাহায্যের দল” অর্থ একটি রাজনৈতিক দল যেটি-

বিদেশি কোন সরকার অথবা কোন রাজনৈতিক দলের অনুরোধে গঠিত বা সঙ্ঘবদ্ধ; অথবা

বিদেশি কোন সরকার অথবা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সহযোগী বা সম্পৃক্ত;

বিদেশি কোন সরকার অথবা কোন রাজনৈতিক দল থেকে আর্থিক বা অন্য যেকোন উপায়ে সহায়তা নিয়ে থাকে অথবা বিদেশী কোন নাগরিক থেকে এর তহবিলের সিংহভাগ গ্রহণ করে থাকে।

২। ১৯৬২ সালের ৩নং আইনের ধারা ২-এর সংশোধন- রাজনৈতিক দল আইন,১৯৬২- এ, বর্ণিত আইনে নির্দেশিত, ধারা ২-এর দফা(গ)-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা প্রতিস্থাপিত হবেঃ-

“(গ)” “ রাজনৈতিক দল ’ বলতে এমন একটি গোষ্ঠী বা ব্যক্তিসমষ্টি অন্তর্ভুক্ত, যে গোষ্ঠী বা ব্যক্তিসমষ্টি কোন রাজনৈতিক মত প্রচারের বা কোন রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর ঊদ্দেশ্যে কার্য করেন।’’

                                   (১৯৬৩-এর অধ্যাদেশ নং ১ দ্বারা সংশোধন)

৩। নির্দিষ্ট কিছু দল গঠনে নিষেধাজ্ঞাঃ- (১) এমন কোন রাজনৈতিক দল গঠন করা যাবে না যেটি এমন কোন মতবাদ প্রচার করে বা এমন কোন পন্থায় কাজ করে যা ইসলামিক আদর্শের পরিপন্থী অথবা যা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বা অখন্ডতার পরিপন্থী।

(২) কোন ব্যক্তি বিদেশি সাহায্যের কোন দল গঠন, সংঘবদ্ধ, প্রতিষ্ঠা বা আহ্বান করবেন না বা অন্য কোন উপায়ে এইরূপ কোন দলের সাথে সহযোগী হবেন না।

৪। বৈধ রাজনৈতিক তৎপরতাঃ- ধারা ৩-এর শর্ত সাপেক্ষে, ইহা বৈধ হবে-

(১) কোন ব্যক্তিসংস্থা বা সমিতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল গঠন, সংঘবদ্ধ বা প্রতিষ্ঠাকরণ;

(২) যেকোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে, কোন একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কার্য নির্বাহক হওয়া, অথবা অন্য যেকোনো উপায়ে সম্পৃক্ত হওয়া; অথবা

(৩) যেকোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে, সংবিধানের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের উদ্দেশ্যে, সদস্য হিসেবে নিজেকে বা অন্য কাউকে প্রকাশ করা, অথবা এই আইনের অধীনে সংগঠন, সংঘবদ্ধ বা প্রতিষ্ঠাকরণ নিষিদ্ধ নয় এমন কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থন লাভ করা।

৩। ১৯৬২ সালের ৩নং আইনের ধারা ৫-এর সংশোধন- বর্ণিত আইনের ধারা ৫-এর উপধারা(১)-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা প্রতিস্থাপিত হবেঃ-

‘‘(১) উপধারা(২) এর অধীনে অযোগ্য হয়েছেন এমন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য অথবা কার্য নির্বাহক, অথবা অন্য কোন উপায়ে নিজেকে সম্পৃক্ত করবেন না।’’

                              (১৯৬৩-এর অধ্যাদেশ নং ১ দ্বারা সংশোধন)

২। একজন ব্যক্তি কোন একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কার্য নির্বাহক হতে অযোগ্য হবেন-

(ক) যদি তিনি যেকোনো আদালত কর্তৃক কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন এবং অন্যূন দুই বছরের জন্য দ্বীপান্তর বা কারাদন্ডে দন্ডিত হন, যদিনা তার মুক্তির পর পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়;

(খ) যদি তিনি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২১ অথবা অনুচ্ছেদ ১২২ এর অধীনে কোন সরকারী পদে অধিষ্ঠিত হতে অযোগ্য হন, যদি না তার অযোগ্যতার সময়কাল অতিবাহিত হয়;

(গ) যদি তিনি পাকিস্তানের কর্ম হতে পদচ্যুত হন, যদিনা তার পদচ্যুতির দিন হতে পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়; অথবা

(ঘ) যদি তিনি, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, নির্বাচক সংস্থা (অযোগ্যতা) আদেশ,১৯৫৯ (P.O. No. 13 of 1959)-এর অনুচ্ছেদ ৭-এর দফা ২-এর অধীনে নির্বাচক সংস্থার সদস্য হওয়ার অযোগ্য হন।

৬। কিছু দলের ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টে উল্লেখঃ- (১) যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, ধারা ৩-এর লঙ্ঘন করে কোন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে অথবা কোন কার্য পরিচালনা করছে, ইহা সমগ্র বিষয়টি সুপ্রীম কোর্টে পেশ করবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমূহের শুনানির পরে উক্ত বিষয়ে সুপ্রীম কোর্ট প্রদত্ত সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

(২) যেখানে সুপ্রীম কোর্ট, উপধারা ১-এর অধীনে, এই সিদ্ধান্ত দেন যে ধারা ৩-এর লঙ্ঘন করে কোন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে অথবা কোন কার্য পরিচালনা করছে, সিদ্ধান্তটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হবে, এবং উক্ত প্রকাশনার ভিত্তিতে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলটি বিলুপ্ত হবে এবং ইহার সকল সম্পদ এবং তহবিল কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট বাজেয়াপ্ত হবে।

৭। শাস্তিঃ- যদি ধারা ৫-এর উপধারা ২-এর অধীনে অযোগ্য কোন ব্যক্তি কোন একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কার্য নির্বাহক হন, অথবা সদস্য বা কার্য নির্বাহক হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করেন, সেই ব্যক্তি কারাদন্ডে যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হবেন।

(২) কোন ব্যক্তি যিনি, ধারা ৬-এর উপধারা ২-এর অধীনে কোন রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত হওয়ার পরে, নিজেকে ঐ দলের সদস্য বা কার্য নির্বাহক হিসেবে প্রকাশ করেন, অথবা উক্ত দলের জন্য কাজ করেন অথবা অন্য কোন উপায়ে উক্ত দলের সাথে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন, সেই ব্যক্তি কারাদন্ডে যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হবেন।

৮। জাতীয় পরিষদ অথবা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হওয়ার অযোগ্যতাঃ- (১) কোন ব্যক্তি যিনি ধারা ৬-এর উপধারা ২-এর অধীনে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া একটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় অথবা প্রাদেশিক কমিটির কার্য নির্বাহকরূপে আছেন অথবা ধারা ৭-এর অধীনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তিনি ঐরূপ বিলুপ্তি বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার দিন হতে পরবর্তী পাঁচ বছর পর্যন্ত জাতীয় পরিষদ অথবা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হওয়ার যোগ্য হবেন না।

(২) যদি একজন ব্যক্তি, কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বা মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে জাতীয় অথবা প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেকে ইহা হতে প্রত্যাহার করে নেন, তিনি এইরূপ প্রত্যাহারের তারিখ হতে, ঐরূপ সদস্যপদের মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত পরিষদের সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন, যদি না তিনি তার অযোগ্যতার কারনে সৃষ্ঠ উপনির্বাচনের মাধ্যমে পুণঃনির্বাচিত হন।

৯। অভিযোগ দায়েরের জন্য অনুমোদনঃ-  কেন্দ্রীয় সরকারের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত এই আইনের অধীনে যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দায়ের করা যাবে না।

১০। বাতিলঃ রাজনৈতিক সংগঠন (অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬২ (XVIII of 1962), এতদ্বারা বাতিল করা হল।

 

                                                                             ডব্লিউ.বি. কাদরি

                                                                                   সচিব

.

ঢাকা গেজেটে প্রকাশিত, ৫ম খন্ড, তারিখ ৩১শে জানুয়ারি, ১৯৬৩

                             পাকিস্তান গেজেট হতে পুনঃপ্রকাশিত, তারিখ ৭ই জানুয়ারি, ১৯৬৩

                                   পাকিস্তান সরকার

                        আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়

                                      আইন শাখা

                                                            প্রজ্ঞাপন

                       রাওয়ালপিন্ডি, ৭ই জানুয়ারি, ১৯৬৩।

নং- F.৩২(১)/৬২- Pub – ৬ই জানুয়ারি, ১৯৬৩ সালে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তৈরিকৃত নিম্নলিখিত অধ্যাদেশটি জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশিত হলঃ-

                             ১৯৬৩ সালের ১নং অধ্যাদেশ

          রাজনৈতিক দল আইন,১৯৬২ সংশোধনের নিমিত্তে একটি অধ্যাদেশ

যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্য পূরণকল্পে রাজনৈতিক দল আইন,১৯৬২ (১৯৬২ সনের ৩নং আইন) এর সংশোধন সমীচীন হয়ে পড়েছে;

এবং যেহেতু জাতীয় পরিষদ অধিবেশনে নাই এবং আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপযুক্ত পরিস্থিতি বিদ্দ্যমান আছে বলে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে সন্তোষজনকভাবে প্রতিয়মান হয়েছে;

এখন, অতএব, সংবিধানের ১৭৩ অনুচ্ছেদের সাথে পঠিত অনুচ্ছেদ ২৯ দফা(১) কর্তৃক ন্যস্ত ক্ষমতার প্রয়োগকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিম্নোক্ত অধ্যাদেশটি তৈরী এবং জারি করা হলঃ 

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামা এবং প্রবর্তনকাল – (১) অত্র অধ্যাদেশটি রাজনৈতিক দল(সংশোধন) অধ্যাদেশ, ১৯৬৩ নামে অভিহিত হবে।

(২) এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২। ১৯৬২ সালের ৩নং আইনের ধারা ২-এর সংশোধন- রাজনৈতিক দল আইন,১৯৬২- এ, বর্ণিত আইনে নির্দেশিত, ধারা ২-এর দফা(গ)-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা প্রতিস্থাপিত হবেঃ-

“(গ)” “ রাজনৈতিক দল ’ বলতে এমন একটি গোষ্ঠী বা ব্যক্তিসমষ্টি অন্তর্ভুক্ত, যে গোষ্ঠী বা ব্যক্তিসমষ্টি কোন রাজনৈতিক মত প্রচারের বা কোন রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর ঊদ্দেশ্যে কার্য করেন।’’

৩। ১৯৬২ সালের ৩নং আইনের ধারা ৫-এর সংশোধন- বর্ণিত আইনের ধারা ৫-এর উপধারা(১)-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা প্রতিস্থাপিত হবেঃ-

‘‘(১) উপধারা(২) এর অধীনে অযোগ্য হয়েছেন এমন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য অথবা কার্য নির্বাহক, অথবা অন্য কোন উপায়ে নিজেকে সম্পৃক্ত করবেন না।’’

৪। ১৯৬২ সালের ৩নং আইনের ধারা ৭-এর সংশোধন- বর্ণিত আইনের ধারা ৭-এ, উপধারা(২)-এর পরে, নিম্নলিখিত উপধারা (৩) সংযোজিত হবে,যথাঃ-

‘‘(৩) যদি ধারা ৫-এর অধীনে অযোগ্য হয়েছেন এমন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দল অথবা একইরুপ অযোগ্য অন্য কোন ব্যক্তির রাজনৈতিক তৎপরতায় অংশগ্রহণ অথবা নিজেকে নিয়োজিত করেন, সেই ব্যক্তি কারাদন্ডে, যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা দন্ডে, অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

৫। ১৯৬২ সালের ৩নং আইনে নতুন ধারা ৮ক সংযোজনঃ- বর্ণিত আইনের ধারা ৮-এর পরে নিম্নলিখিত ধারা ৮ক সংযোজিত হবে,যথাঃ-

‘‘ ৮ক। (১) অত্র আইনের পূর্বোলিখিত বিধান সমূহে যা কিছুই থাকুক না কেন, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে ধারা ৫-এর উপধারা (২)-এর অধীনে অযোগ্য বিবেচিত একজন ব্যক্তি রাজনৈতিক তৎপরতা চরিতার্থ করছেন বা করার চেষ্টা করছেন, সেখানে লিখিত আদেশের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে অনুর্ধ্ব ৬ মাসের জন্য নিম্নলিখিত কোন কর্মকাণ্ড করা হইতে বিরত থাকার আদেশ প্রদান করতে পারেন-

(ক) সংবাদ সম্মেলনসহ যেকোন সভা আহ্বান; অথবা (খ) সংবাদ মাধ্যমে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করা।

(২) উপধারা (১)-এর অধীনে কোন আদেশ, নির্দিষ্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে, কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক পুনবিবেচিত হবে এবং উক্ত পুনঃবিবেচনা সাপেক্ষে যদি কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজন মনে করেন তাহলে উক্ত মেয়াদকে আরো ছয় মাসের জন্য বর্ধিত করতে পারেন।

(৩) উপধারা (১)-এর অধীনে কোন আদেশ লঙ্ঘনকারী যেকেউ কারাদন্ডে, যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে অথবা জরিমানা দন্ডে, অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

(৪) অত্র ধারার অধীনে কোন আদেশ এই আইনের যেকোনো বিধান লংঘনের কারনে আদেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির দায়কে কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

মোহাম্মদ আইয়ুব খান, এন. পিকে. এইচ.জে.

ফিল্ড মার্শাল

রাষ্ট্রপতি

.

আব্দুল হামিদ

সচিব