অভিজিত ঘোষ

Posted on Posted in 9

এই কাজের সাথে আমার যুক্ত হবার কারণ-অনুপ্রেরণা-স্বপ্ন একটাই। মানুষ জানুক মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা, অনুভব করুক বীরঙ্গনাদের ত্যাগ এবং ঘৃ্ণা দেখাক পাকবাহিনী আর রাজাকারদের নৃশংসতার প্রতি। এই দেশটা যখন তার স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, তখন হয়তো আমাদের ঝুলিতে একাধিক নোবেল পুরস্কার থাকবে, অস্কার আসবে। নাও আসতে পারে, জানি না এখনো। সেই অস্কার গ্রহনের পর বক্তব্য দিতে গিয়ে গ্রহীতারা হয়তো ডলবি থিয়েটারের বড় ছাদটার দিকে তাকিয়ে শ্রদ্ধাভরে একাত্তরকে স্মরণ করবে। সারাদিনের গবেষণার খাটুনি শেষে অবসর সময়ে এই দলিল পড়ে কোন বিজ্ঞানীর চোখে হয়তো মনের অজান্তে জমবে জল। পাকবাহিনীর অমানবিক অত্যাচারের বিবরণ পড়ে হয়তো কারও হাতের মুঠো শক্ত হয়ে উঠবে। সেই শ্রদ্ধা, চোখের জল অথবা মুঠো হওয়া শক্ত হাতকেই আমার এই ক্ষুদ্র কাজের শ্রেষ্ঠ অর্জন ধরে নেবো।