1

অর্পন ভট্টাচার্য

এই কর্মযজ্ঞ আমার কাছে অনেকটা প্রিয় খুব অল্প কিছুদিনের মধ্যেই।এখানে যোগদানের কারন স্বার্থপরের মত শোনাবে,সে জন্য আগাম ক্ষমা প্রার্থী। প্রথমে ২য় কারনটা বলি।বাবা অসুস্থ,পারিবারিক ঝামেলা,ব্যক্তিগত জীবনে ঝামেলা ইত্যাদি মিলিয়ে ১৬ এর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর আমি ভয়াবহ ডিপ্রেসনে চলে গেছিলাম।অনেক কিছু নিয়ে ব্যস্ত হবার চেষ্টা করেছিলাম,কিন্তু কোনটাতেই আগ্রহ থাকে নি।অনেকটা মরিয়া হয়েই এই কাজে অংশ নেয়া।এবার প্রথম কারনটা বলি।মুক্তিযুদ্ধ এবং তার ইতিহাস নিয়ে এত বড় কাজ হচ্ছে কিন্তু তাতে আরমার্ড কোন অংশ গ্রহন নেই এটা আমি ভাবতে পারি নাই।ছোটবেলা থেকে এই বিষয় নিয়ে কাজ করার এবং জানার ইচ্ছে।সেই তাগিদ থেকেই এই কাজে আসা।মুক্তিযুদ্ধ যে উদ্দেশ্যে হয়েছিলো সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হোক এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু যথাযথ ভাবে পান এটাই চাওয়া।যুদ্ধাপরাধী গুলোর বিচার দ্রুত শেষ হোক।মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিস্থান গুলো যথাযথ ভাবে সংরক্ষিত হোক।এই কাজে আমার অংশ সামান্যই,তবে এই কাজের সূত্র ধরেই ডিপ্রেসন থেকে বের হয়ে আসাটা সহজ হয়েছে আমার জন্য।সামনের দিনগুলিতে যতটা পারি সময় দেবার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।