আহমেদ রাসেল

Posted on Posted in 7

মুক্তিযুদ্ধ জিনিসটাকে সঠিক কবে বুঝতে শিখেছি, তা মনে নেই। খুব যখন ছোট্ট ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বর কিংবা ২৬ মার্চের দিনগুলোতে বিটিভির পর্দায় “হাঙর নদীর গ্রেনেড” মুভিটাই ছিল আমার মুক্তিযুদ্ধে জ্ঞান আহরণের প্রধান উত্‍স। ধীরে ধীরে কখন যেন “মুক্তিযুদ্ধ” সেই “৭১” এর প্রেম পড়ে যাই। তাইতো এই জোয়ারের জলোচ্ছ্বাসকে নতুন রূপ দেয়াটা কর্তব্য বলেই মনে করি। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নিজের প্রথম উপন্যাস লেখার মন বাসনা নির্ধারন করে ফেলি! আমার আগে নামি দামি অনেক লেখক মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস লিখেছেন, সেই বায়েজীদ খুরশিদ থেকে প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ, সকলেই মুক্তিযুদ্ধকে ফুটিয়ে তুলেছেন নিজ নিজ মহিমায়। এদের কাতারে নিজেকে আমি কখনো স্বপ্নে দেখতেও সাহস পাই না! তবে মূল ঘরাণার উপন্যাসগুলো রচিত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের দলিলের উপর বেইজ করে। আর আমার উপন্যাসের দলিল হবে আমার কল্পনা, আমার রক্তপ্রবাহে বয়ে চলা চেতনার স্রোত। আমার কল্পনাকে বাস্তবতার মোড়কে ক্যানভাসে চিত্রায়িত করার প্রয়াস মাত্র। সেই থেকে শুরু আমার ‘৭১ নিয়ে চর্চা। যেখানে যা পেতাম, ফেসবুকের কোন পোস্ট হোক কিংবা পিডিএফ, সুযোগ পেলেই মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আর্টিকেল গুলো পড়ে ফেলতাম। তখনই পরিচয় হয় আলামিন সরকার ভাইয়ের সাথে।প্রজেক্ট সম্পর্কে তখন জানতে পারি আদ্যোপান্ত সব। ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরার প্রযুক্তিগত সুযোগ এর চেয়ে ভালো আর কী-ই বা হতে পারে!! সুযোগ পেয়ে কাজে লেগে পড়তে দ্বিতীয়বার আর ভাবলাম না, আলিমুল ফয়সাল ভাইয়ের নির্দেশনায় বেশ কিছু কাজ করে ফেললাম। এক কথায় বলি, নিজেকে গর্বিত মনে হয় এমন একটা কাজের অংশ হতে পেরে। বেচেঁ থাকুক মুক্তিযুদ্ধ, বেচেঁ থাকুক একাত্তর…আপন গৌরবে প্রজন্মের মজ্জায়।