ইফতেখার আহমেদ

Posted on Posted in 6

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মের সন্তান হওয়ায় পরিবারের অনেককেই কাছ থেকে দেখেছি যারা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন। আমারা মুক্তিযুদ্ধ দেখি নি, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের নিদারুণ কিন্তু গর্বিত ইতিহাস সবসময় মানসপটে ভাসে। আজ যে দেশের কথা পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসে গর্ভভরে বলতে পারি, যে মাটির সোঁদা গন্ধ যে কোন ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে পারে, যে স্বাধীন আলো-বাতাসে আমি প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে পারি, তা লক্ষ লক্ষ মানুষের সর্বস্ব ত্যাগের বিনিময়ে এসেছে, তা ভুলবার নয়। আমরা যারা তরুণ প্রজন্ম, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষপাত-দুষ্ট ইতিহাস দেখে বিভ্রান্ত, তাদের নানান প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা ছিল বহুদিনের। আমাদের গর্বের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যখন কেউ ভুল তথ্য দিয়ে রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধা নেবার চেষ্টা করে, তখন শুধুমাত্র সঠিক রেফারেন্সের অভাবে আমরা তাদের প্রতিহত করতে পারি না। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস না জানার কারনে সেইসব বীরযোদ্ধাদেরও যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। সৌভাগ্যবশত আমার কিছু বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারলাম এই অভাবনীয় উদ্যোগের কথা। এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ। দেশের মানুষকে মাতৃভাষায় নিজেদের গর্বের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে দেবার যে প্রয়াস, সেটিকে শুধুই সাধুবাদ দিয়ে ছোট করা হয়ে যায়। নিজেকে তাই এর অংশীদার হিসেবে দেখতে গর্ব বোধ করি।