ইভান ব্রায়ান প্লাসিড

Posted on Posted in 6

বহুদিন ধরেই এক বিভীষিকাময় আগ্রাসনে ক্ষতবিক্ষত হয়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে উদার বাংলার কৃষ্টি, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর অবশ্যই সাধারণ রাজনীতি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লালন পালন করে যে দানবীয় “পাক সার জমিন – সাদ বাদ” পটভূমি এই বাংলার মাটিতে রোপন করা হয়েছে, সেটা আরও ৫০ বছরেও শোধরানো যাবে কিনা সন্দেহ। একের পর এক ইমরান-আফ্রিদীয় বিকৃত প্রজন্ম চাঁদ তারার তরবারী নিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগানে বাংলার আকাশ প্রকম্পিত করে। মায়ের ধর্ষণকারীকে এরা বন্ধু বলে নির্লজ্জ সহবাসে লিপ্ত হয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর পর এদের আসল ক্ষমতা বাংলাদেশ হাড়ে হাড়ে টের পায় একটু দেরিতে হলেও। সুবিধাবাদী জনগোষ্ঠী এদের করায়ত্ত ছিল এতদিন, এমনকি বিভিন্ন দলের প্রতিক্রিয়াশীল চক্র এদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। পুলিশ, বিজিবিসহ রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক ভিত্তিকে এরা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বেপরোয়া তাণ্ডবে মত্ত ছিল। অনলাইনে এরাই ছিল প্রচন্ড রকম শক্তিশালী। এমনি এক প্রতিকূল অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই ভার্চুয়াল ভার্সন আত্মপ্রকাশ করে অসুস্থ একটা প্রজন্মকে অজ্ঞতার অভিশাপ থেকে বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়ে মাতৃপ্রতিম নীপা আপা (নীপা লায়লা) আমাকে একদিন লিও ভাইয়ের একটি লিংক দিয়ে উনাদের সাথে জয়েন করতে বলার ১০ মিনিটের মধ্যে আমি জয়েন করি আর ততোধিক দ্রুততায় উনারা আমাকে এই যুদ্ধে অংশগ্রহন করার সুযোগ দিয়েছেন বলে ভালো লাগছে। দেশ ছেড়েছি আট বছর হয়ে গেল। দেশে কখনো ফিরব কিনা জানি না। তবে এতটুকু বুঝি এই বাংলা মায়ের আঁচলে আমার বেড়ে ওঠা বলেই দেশটাকে ভালোবাসি নিজের মায়ের মত করেই। আর যেইসব লক্ষ লক্ষ মানুষ এই স্বাধীনতার জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে উনাদের ওই ত্যাগের বিপরীতে আমাদের সবার এমন চেষ্টা অতি সামান্য হলেও অভাবনীয় বলেই মনে করি।