ইমতিয়াজ সেজান সানি

Posted on Posted in 4

যুদ্ধদলিল প্রজেক্টের কাজ প্রায় দেড় বছর হয়ে আসলেও আমি সময় দিতে পারি নি। নিজের কাজের জন্য কখনো মুখ ফুটে বলতেও পারি নি “আমাকে এক পাতা টাইপ করতে দেন”। তাই বলে এই না যে যুদ্ধদলিল পরিবারের প্রতি আমার ভালবাসা ছিল না। এই প্রজেক্টে প্রায় ৩০০+ মেধাবী এবং পরিশ্রমী স্বেচ্ছাসেবী আছেন যারা এই যুদ্ধদলিল পরিবারকে এতদূর নিয়ে এসেছেন। অনলাইনে লেখা আর মাঠ পর্যায়ে কাজ করার মধ্যে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুর মতো পার্থক্য হলেও,ভয়ের মাঝে যুদ্ধদলিল প্রকল্পের প্রথম অফলাইন প্রকাশনা ‘একাত্তরের দেবদাস’-কে বিনামূল্যে ৫টা স্কুলে গিয়ে বিতরণের অনুমতি নিয়েছি এবং বইও বিতরণ করেছি কোন ঝামেলা ছাড়া। বই ডিস্ট্রিবিউট করতে গিয়ে স্কুল টিচার এবং স্টুডেন্টদের কাছ থেকে যে ভালবাসা পেয়েছি তাতে আমি ধন্।,এই পরিশ্রমে ক্লান্তি নেই, আছে শুধু আনন্দ। সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হয়েছি আমাদের বাচ্চারা আমাদের জন্মের ইতিহাস জানে দেখে – তারাই আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে। এই ক্ষুদ্র কাজ করে যুদ্ধদলিল পরিবারের সাথে থাকতে পেরে আমি ধন্য। যুদ্ধদলিল পরিবার আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাক। . . সবার প্রতি ভালবাসা রইলো…..