এ. এস. এম. হাসান লতিফ

Posted on Posted in 6

আমার স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সবই সরকারী৷ সে অর্থে দেশের সাধারণ মানুষের ঘামের টাকায় খুব নামকা ওয়াস্তে অল্প টাকা বেতন দিয়ে পড়াশুনা করেছি৷ মুক্তিযুদ্ধ দেখি নি৷ তবে মনে প্রাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালণ করি৷ মনের মধ্যে সবসময়ই একটা তাড়না কাজ করে যে কোনভাবে নিজের ঘাম বা শ্রমের মাধ্যমে দেশের জন্য সামান্য হলেও কিছুটা সেবা করতে, সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু সম্ভব ততটুকু আর কী৷ সে তাড়না থেকে ২০১২ সালে খান একাডেমির কিছু ভিডিও টিউটোরিয়াল ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অনুবাদ করি৷ ওই কাজটা ছিল পুরোপুরি কাকতালীয়ভাবে করা৷ একদিন তাদের কার্যালয়ে যাই৷ তারপর কাজ করে দেই৷ ঐ কাজটি অনুবাদক হিসেবে আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়৷ ঠিক একই রকম কাকতালীয়ভাবে ইঞ্জিনিয়ার লিও-র আইডিতে যুদ্ধদলিল প্রকল্প সম্বন্ধে পড়ে তাঁকে ফেসবুকে জানাই যে আমি কাজ করতে আগ্রহী। আমাকে তাঁরা তাঁদের অনুবাদক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেবেন কিনা৷ মূলত ঐদিন থেকেই কাজ শুরু করি৷ যতই দিন যাচ্ছে, কাজ করতে করতে ঐ সময়ের বিভীষিকাময় অবস্থার চিত্র ততই যেন বেড়িয়ে আসছে৷ মাঝে মাঝে কাজ থামিয়ে দিতে বাধ্য হয় কান্না থামাতে৷ এ সামান্য ক`টি লাইন লিখতেও অনেক সময় লেগেছে৷ এ প্রকল্পের সাথে জড়িত স্বেচ্ছাসেবক, সংগঠক, দাতা সবাইকে অন্তরের অন্তঃস্থল হতে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো৷