জ্বিন কফিল

Posted on Posted in 2

মুক্তিযুদ্ধের নির্মোহ ইতিহাস জানা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের অধিকার।মুক্তিযুদ্ধ একটিভূখণ্ডের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসের শিখর বিন্দু। আমার কাছে মনে হয়েছে এ প্রজেক্টের সাথে জড়িতরা সাধারণ মানুষের কাছে দল নিরপেক্ষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পৌছে দেয়ার জন্য একধরনের তাড়না অনুভব করেন।তাই লিও যখন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে মূল দলিল থেকে বঙ্গানুবাদের জন্য ভলেন্টিয়ার খুঁজছিলো, তখন আমি আগ্রহী হই। লিও আমাকে তাজকিয়া ইসাবার টিমের সাথে ট্যাগ করে দেয়।বাংলাদেশে অলঙ্ঘনীয় রাজনৈতিক মতভেদ/বিভেদ থাকবে, দলগত স্বার্থ থাকবে, ব্যক্তিগত ইগো থাকবে, মানুষের সমাজে এসব থাকেইতো, তাই না? মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ লড়াইয়ের পথেও মতপার্থক্য ছিল, ব্যক্তিগত ইগোর দ্বন্দ্ব ছিল।তারপরেও সব কিছুর উপরে ‘দেশ স্বাধীন করতে হবে’-এই সিঙ্গেল পয়েন্টে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্য ছিল। যার ফলে মুক্তিযুদ্ধ কখনো লক্ষ্যচ্যুত হয় নি।পরিচয় নির্বিশেষে স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের মধ্যেও নুন্যতম একটা পয়েন্টে অস্তিত্বের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি।আর সেই ঐক্যমত স্বাধীন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশের সংগ্রামের ইতিহাসের উপরে ভিত্তি করে হওয়াই যথাযথ। এ বিশাল কাজের অতি ক্ষুদ্র অংশ হতে পারা আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার। গর্বের অংশীদার হওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য ইঞ্জিনিয়ার লিও, আমার টিম লিডার তাজকিয়া ইসাবা ও প্রজেক্ট যুদ্ধদলিল টিমের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা।