3

জয়া করিম

মুক্তিযুদ্ধ দেখি নি, শুনেছি। বাবার মুখে অজস্রবার যুদ্ধের ভয়াবহতা শুনেছি, কল্পনা করে শিউরে উঠেছি। ১৯৭১-এ আব্বুর পোস্টিং ছিল বরিশালের এক গ্রামে। পেশায় চিকিৎসক হওয়ার সুবাদে উনি গোপনে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা করতেন। হঠাৎ একদিন আব্বু জানতে পারেন যে রাজাকাররা ঐ গ্রামের ১০ জনের একটি তালিকা বানিয়েছে এবং ঐদিন রাতে তাদের মেরে ফেলা হবে। ঐ তালিকায় আব্বুর নামও ছিল। ঐদিনই হানাদারবাহিনীরা ঝাঁপিয়ে পড়ার আগেই গ্রামের সবাই গা ঢাকা দেয়।

কত বীভৎস আর নির্মম ছিল সেই সময়টা,  শুনেই তা শিউরে উঠেছি বারবার। একজন বাঙালি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গর্বই করেছি সবসময়।

আর সেই মুক্তিযুদ্ধের সাক্ষী দলিল নিয়ে কাজ করতে পারার সুযোগ কখনো পাবো, তা ভাবি নি। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও যখন এই প্রোজেক্টের কথা জানলাম, একটুও দেরি করি নি প্রজেক্টের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে।

 

ধন্যবাদ নীতেশকে,  আমাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। সাধ্য এবং সামর্থ্যের সর্ব্বোচ্চটুকু দিয়ে প্রোজেক্টের সাথে আছি, থাকবো।