সৈয়দা ইসরাত জাহান কনক

Posted on Posted in 4

অধিকাংশ শব্দযোদ্ধার মতো আমিও এ প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হয়েছি লিও ভাইয়ের সেই পোস্ট থেকে,যেখানে আহ্বান জানানো হয়েছিল যুদ্ধদলিল নিয়ে কাজ করার আগ্রহ জানিয়ে। সে আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলাম খুব দ্রুতই। প্রথম দিকে কাজ করতাম দলিলের ৮ম খন্ডে। লিও ভাই পরামর্শ দেন তাঁর আইডিতে থাকা দলিলের বিভিন্ন পৃষ্ঠার ছবি নিয়ে একটি এলবাম তৈরি করতে এবং প্রতিদিন নিদেনপক্ষে দুটো ছবি তাতে সংযুক্ত করার। আমার ভার্সিটি জীবনের প্রথম বর্ষ চলছিল তখন। আমার জানা ছিল না সেখানে ব্যবসা চলে,ধর্মব্যবসা। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটাক্ষ চলে সেখানে,দুঃখের বিষয় একজন নামকরা চিহ্নিত রাজাকারের লেখা বই সেখানে রেফারেন্স বুকের তালিকায় আছে। সে সময়কার প্রতিকূল অবস্থা আমার এ প্রকল্পের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। মাঝে দীর্ঘবিরতি….. এ বিরতির মাঝে ঘটে নানা কিছু। ৪র্থ খণ্ডের কাজ নিয়ে আমি আবার ফিরেছি এ শব্দযুদ্ধে। আমি আশাবাদী একটা সময় অবশ্যই আসবে যখন কাউকে শুনতে হবে না মুক্তিযুদ্ধ কোন সাময়িক গোলযোগ ছিল,বরং এ যুদ্ধ আমাদের গৌরবগাঁথা,আমাদের অহংকার। ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে আমার মতো কখনো কাউকে তার প্রিয় বন্ধু থেকে শুনতে হবে না, “তোদের বঙ্গবন্ধু মিলিয়ন বিলিয়নের হিসেব জানে না।“ এ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাক। নতুন প্রজন্ম জানুক সঠিক ইতিহাস। প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য ভালবাসা। আমাদের পরিচয় হোক একটাই – মুক্তিযুদ্ধ।