8

মৌলভিবাজারে আরও বধ্যভূমির সন্ধান

৫৮। মৌলভিবাজারে আরও বধ্যভূমির সন্ধান (৪৫৫)

সুত্র – সংবাদ, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২

মৌলভীবাজারে আরো অনেক বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে

২৫শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ (এনা)- শেরপুর জেটিতে হানাদার বাহিনীর বর্বরতা সাক্ষী এমন একটি বধ্যভূমি আবিষ্কৃত হয়েছে। এখানে প্রায় ১হাজার ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। তারপর মৃতদেহগুলো কুশিয়ারা নদীতে ছুড়ে ফেলা হয়।

বরুরা চা বাগানের পশ্চিমে আচেরাতে আর একটি বধ্যভূমির খবর পাওয়া গেছে। জনসাধারণের সহায়তায় পুলিশ এটি আবিস্কার করেছে। শ্রীমঙ্গল কলেজের পূর্বদিকে এই বধ্যভূমিটি ছিল। এখানে ৪৩ জন চা বাগান শ্রমিককে হত্যা করা হয়। মৃতদেহগুলো একটি গর্তে কবর দেয়া হয়।

সাধুবাবাতেও তাঁরা আর একটি বধ্যভূমি আবিস্কার করেছেন। এখানে জল্লাদরা ৫০ জন হতভাগ্যকে হত্যা করে। ভাগ্যগুনে চার জন রক্ষা পায়। তারা মরেনি কিন্তু আহত হয়েছিল। এই মর্মান্তিক ঘটনা তাঁরাই বর্ণনা করেন।

আর একটি বধ্যভূমি আবিষ্কৃত হয়েছে কুলাউরা রেল ক্রসিংএ। এখানে একটি কবরে চল্লিশটি কংকাল পাওয়া গেছে।

জল্লাদদের আর একটি বধ্যভূমি ছিল মৌলভীবাজার কোর্ট। এখানে ৩৫ জনকে হত্যা করে জল্লাদরা। তারপর মৃতদেহগুলো গর্তে কবর দেয়া হয়।

বারবাড়িতে আর একটি বধ্যভূমি আবিষ্কৃত হয়েছে। মৌলভীবাজার শহর থেকে দূরত্ব আধা মেইল। এখানে যে কত লোককে হত্যা করা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যা এখানে জানা যায়নি।