7

উম্মে আবিহা সায়মা

আমার তো দু’টো মা। একজন জন্মদাত্রী মা, আর আরেকজন দেশ মা, বাংলাদেশ মা। জন্মদাত্রী মায়ের জন্যে প্রায়শঃই কিছু না কিছু করা হলেও দেশ মায়ের জন্যে কিছু করবো ভেবেওসেখানে এসে আটকে যাই। একদিন প্রভা আপুর কাছে জানতে পারি যে মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র ইউনিকোডে রুপান্তর করে জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করা হবেএবং এ কাজে ভলান্টিয়ার লাগবে। একথা জানার সাথে সাথে আপুর সাথে যোগাযোগ করে বললাম যে এই কাজে তাদের সাথে থাকতে চাই- চাই- চাই! তারপর আপু লিও-র সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন এবং লিও আমাকে আলিমুল ফয়সাল ভাইয়ের আন্ডারে কাজে বসিয়ে দিলেন। তখন থেকেই আমার যুদ্ধদলিল প্রোজেক্টের সাথে যাত্রা শুরু। মাঝে এইচএসসি পরীক্ষার জন্যে অনিয়মিত থাকলেও এখন থেকে একদম নিয়মিত থাকার সদিচ্ছা রাখি। স্বপ্ন দেখি যে দেরিতে হলেও একদিন দেশের সব মানুষ ‘মুক্তিযুদ্ধ’ সম্পর্কে জানবে। নিজের উৎস জানবে আর মুক্তিযুদ্ধকে হৃদয়ে ধারণ করবে। আর সেইদিন আমি সত্যিকার ভাবে গর্বিত হয়ে নিজেকে বলবো যে দেশ মায়ের জন্যে কিছু করতে পেরেছি।