pm

ফাহমিদা শিমু

প্রজেক্টটাতে ইনভল্ভড হয়েছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সমমনা কিছু মানুষের সহায়তায়। কোন লাভ-ক্ষতির হিসেব করে কিংবা পাবলিসিটির কথা ভেবে কাজটি শুরু করি নি। নিজের ভেতরের অজানা এক বোধের তাড়নায় করেছি। খুব বেশি নয়। আর বড়জোর ১০ বছর পরে মহান একাত্তরের প্রত্যক্ষদর্শী খুঁজে পাওয়া হবে খুব কঠিন। তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মূল ইতিহাস হয়ে পড়বে আরো ঘোলাটে। এই দুঃসময় আসার আগেই আমাদের উচিৎ ইতিহাসকে সংরক্ষণ করা… সঠিক ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা… মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে উন্মুক্ত করে দেয়া। তাই এই কাজে আমার নিজেকে সম্পৃক্ত করা। ইতোমধ্যে প্রায় এক লক্ষ হাজার মানুষের কাছে আমরা পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্রের ইউনিকোড ভার্শন নিয়ে। তাঁরা এই অকাট্য দলিলগুলো পড়ছেন, জানছেন এবং এই বিষয়ে আলোচনা করছেন। আমাদের কাজের অন্যতম লক্ষ্য ছিলো এটাই। স্বপ্ন দেখি, সঠিক ইতিহাসকে সহজলভ্য করে তোলার যে কাজটি আমরা কিছু মানুষ শুরু করেছি, তা এক সময় বিপ্লবের আকারে ছড়িয়ে যাবে সকল তরুণ হৃদয়ে। আমরা হয়ত থাকবো না; কিন্তু ইতিহাস চর্চা থেমে থাকবে না। ৩০ লক্ষ প্রাণের বিসর্জনের গল্প অমর হয়ে থাকবে আগামী প্রজন্মের সকলের অন্তরে।