9

সৈয়দা অনন্যা রহমান

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ একটি প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত গাজী মহসিনা রহমান এর একটি প্রতিবেদন আমার দৃষ্টি আর্কষণ করে। সংবাদটির শিরোনাম ছিল “ইউনিকোডে মুক্তিযুদ্ধের দলিল”। এখানেই জানতে পারি মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ১৫ খন্ডের বিশাল বইটি ইউনিকোড ফ্রন্টে রূপান্তরের উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে কিছু তরুণ। যাদের মধ্যে প্রবাসী কিছু তরুণও রয়েছেন। ওখানেই জানতে পারি ফেসবুকের মাধ্যমে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত হবার সুযোগ রয়েছে।

বিষয়টি আমার চিন্তার জগতে ভীষনভাবে নাড়া দেয়। আমরা যে দেশে বাস করছি, যে দেশের আলো, হাওয়ায় বেড়ে উঠছি সে দেশের কাছে আমাদের রয়েছে বহু ঋণ। আমার মা-বাবা দুজনই বামপন্থী রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং দুজনই মুক্তিযোদ্ধা। ছেলেবেলা থেকেই তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের কিছু অভিজ্ঞতার কথা শুনেছি।

বাঙালি হিসাবে মুক্তিযুদ্ধ আমার কাছে গর্বের বিষয়। দেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আমার জন্ম হয়নি বিধায় দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ আমার ছিল না। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের দলিলটি ইউনিকোডে রূপান্তরের কাজের সাথে থাকতে পারা আমার জন্য একটা অনেক বড় সুযোগ। এ ভাবনা থেকেই ফেসবুকে যোগাযোগ করি আল-আমিন সরকারের সাথে। ভাই সাউথ আফ্রিকা থেকে যোগাযোগ করেন আমার সাথে। আশা করছি এই মহান কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উদ্যোমী এই গ্রুপের সাথে থাকবো।